গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) সংবাদদাতা
সোমবার বিকালে গোয়ালন্দ উপজেলা বিএনপির অফিসে নির্বাচনী সভার প্রস্তুতিকালে হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ১২ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে বিএনপি। ঘটনার পর পুলিশ উপজেলা বিএনপির সভাপতি সুলতান-নূর ইসলাম মুন্নুকে গ্রেফতার করেছে।
উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবলু অভিযোগ করেন, পূর্ব নির্ধারিত গোয়ালন্দ বাজার রেলস্টেশন এলাকায় বিএনপির নির্বাচনী অফিসে দলীয় নেতাকর্মীরা নির্বাচনী সভার আয়োজন করে। এ সময় নৌকার পক্ষে স্লোগান দিয়ে রেল স্টেশনের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় যুবলীগ ও ছাত্রলীগের শতাধিক নেতাকর্মী হামলা চালায়। এতে তিনিসহ ১২ জন নেতাকর্মী আহত হন। এছাড়া প্রায় ১৫-২০টি চেয়ার ও মাইক ভাঙচুর করে। এমন পরিস্থিতিতে পুলিশ উল্টো আমাদের অবরুদ্ধ করে রাখে। এমনকি কথা বলার কথা বলে ডেকে নিয়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতি সুলতান-নূর ইসলাম মুন্নু মোল্লাকে গ্রেফতার করে।
এদিকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম মণ্ডল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী, সংসদ সদস্য ও শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলীর গণসংযোগ নিয়েই দলীয় নেতাকর্মীরা ব্যস্ত ছিল। এ সময় কে বা কারা হামলা করেছে জানা নেই। তবে শুনেছি বিএনপির দুটি গ্রুপ রয়েছে। নিজেদের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে মনোনয়ন বঞ্চিত প্রার্থীর লোকজন এমনটি ঘটিয়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে আওয়ামী লীগের কেউ জড়িত নয়।
গোয়ালন্দ ঘাট থানার ওসি এজাজ শফী বলেন, বিএনপির দুটি গ্রুপের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে নিজেরা মারামারি করেছে বলে জানতে পেরেছি। উপজেলা বিএনপির সভাপতি সুলতান-নূর ইসলাম মুন্নু মোল্লাকে এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা ভঙ্গের চেষ্টার অভিযোগে গ্রেফতার করে মঙ্গলবার জেলা আদালতে পাঠানো হয়েছে।
