সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসের ন্যায় গতকাল সোমবার দ্বিতীয় কার্যদিবসেও শেয়ারবাজারে দরপতন হয়েছে। একই সঙ্গে কমেছে লেনদেনও।
গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ২২ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৪ হাজার ৮৯৪ পয়েন্টে। এই বাজারে দুই দিনে সূচক কমেছে ৪৩ পয়েন্ট। অন্যদিকে লেনদেনও আগের কার্যদিবসের চেয়ে প্রায় সোয়া ৫ কোটি টাকা কমে দাঁড়িয়েছে ৩০২ কোটি টাকায়। প্রথম কার্যদিবসেও লেনদেন কমেছিল ২১ কোটি টাকার ওপরে। গতকাল ডিএসইতে ৩৫৪টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৭৪টির, কমেছে ২৫১টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৯টির।
অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৮৫ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১৪ হাজার ৮৮০ পয়েন্টে। লেনদেন হয়েছে ১১ কোটি ৮১ লাখ টাকার শেয়ার।
পুঁজিবাজারের উন্নয়নে সরকার বেশকিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। এছাড়া সম্প্রতি বাজারে তারল্যের যোগান বাড়াতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক সম্প্রতি একটি সার্কুলারও জারি করেছে। তবে বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সাধারণ ও ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বাজার সম্পর্কে এখনো আস্থার ঘাটতি রয়ে গেছে। এ কারণে বাজার থেকে বেরিয়ে যাওয়া কিংবা পর্যবেক্ষণে থাকা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন করে বাজারে আসা কিংবা বিনিয়োগে আসার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে না। অন্যদিকে গত কয়েক মাসে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা শেয়ার ক্রয়ের চেয়ে বিক্রি করেছেন বেশি। এটিও ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নেতিবাচক বার্তা দিয়েছে।
