সামিট পাওয়ারের ২২ শতাংশ কিনে নিচ্ছে জাপানের জেরা

আপডেট : ০৭ অক্টোবর ২০১৯, ২২:০৬

সামিট গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালের মালিকানার ২২ শতাংশ কিনে নিচ্ছে এলএনজি ব্যবসায় বিশ্বের সবচেয়ে বড়ো কোম্পানি জেরা।

গতকাল সোমবার সামিট ও জেরা পৃথক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, বাংলাদেশের জ্বালানি অবকাঠামো খাত উন্নয়নে সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালের সঙ্গে গত মে মাসে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছিল জেরার। সেই সমঝোতার ভিত্তিতেই তারা সামিটের ব্যবসায় এই বিনিয়োগ করছে। ১৯৯৮ সালে ১১৪ মেগাওয়াট ক্ষমতার স্বতন্ত্র বিদ্যুেকন্দ্র স্থাপনের মাধ্যমে জ্বালানি খাতে বেসরকারি বিনিয়োগের সূচনা করে সামিট পাওয়ার। বর্তমানে সামিটের কেন্দ্রগুলো থেকে প্রায় ১ দশমিক ৮ গিগাওয়াট বিদ্যুত্ জাতীয় গ্রিডে যোগ হচ্ছে। এটি মোট দেশীয় উত্পাদন সক্ষমতার ১২ শতাংশের সমান। যুক্তরাষ্ট্রের জেনারেল ইলেকট্রিকের (জিই) সঙ্গে মিলে বর্তমানে নারায়ণগঞ্জের মেঘনাঘাটে ৫৯০ মেগাওয়াট ক্ষমতার একটি কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুত্ কেন্দ্র নির্মাণ করছে সামিট পাওয়ার।

জেরা জানায়, ধারাবাহিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশে বিদ্যুতের চাহিদাও বাড়বে। আর এ কারণে বিনিয়োগের জন্য তারা বাংলাদেশকে অগ্রাধিকারের তালিকায় রেখেছে। সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালের অংশীদার হিসেবে নিজস্ব কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনাও রয়েছে জেরার। এর আগে গত সেপ্টেম্বরে নারায়ণগঞ্জের মেঘনাঘাটে ভারতের রিলায়েন্স পাওয়ারের গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুত্ প্রকল্পের ৪৯ শতাংশের মালিকানা কিনে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল জেরা।

সামিট গ্রুপ জানায়, শেয়ারহোল্ডার হিসেবে জেরা বিদ্যুত্ উত্পাদনে দক্ষ নির্মাণ এবং পরিচালনার মাধ্যমে সামিট পাওয়ারের করপোরেট ভ্যালু বৃদ্ধির প্রচেষ্টার পাশাপাশি বাংলাদেশের টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখার জন্য কাজ করবে। সামিটের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খান বলেন, “বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুত্ ও জ্বালানি খাতের জন্য প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি এবং বিনিয়োগ জেরার মাধ্যমে সহজলভ্য হবে। এই অংশীদারিত্ব আমাদের ২০২২ সালের মধ্যে বাংলাদেশে ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিনিয়োগ কার্যক্রমে সহায়তা করবে।”