‘গঙ্গা-যমুনা সাংস্কৃতিক উত্সব’

অষ্টম আসরে অংশ নিচ্ছে ১২১ দল

আপডেট : ০৮ অক্টোবর ২০১৯, ২০:০২

গত ৭ বছর ধরে আয়োজিত হচ্ছে ভারত এবং বাংলাদেশের নাট্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন নিয়ে গঙ্গা-যমুনা উত্সব। দুই দেশের অভিন্ন সংস্কৃতির অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং জনগণের মৈত্রীর বন্ধন দৃঢ়তর করার লক্ষ্যেই মূলত এ আয়োজনের উদ্যোগ গ্রহণ। এ বছর ১১ থেকে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তন, পরীক্ষণ থিয়েটার হল, স্টুডিও থিয়েটার হল ও সংগীত আবৃত্তি ও নৃত্য মিলনায়তন, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ও বাংলাদেশ মহিলা সমিতির ড. নীলিমা ইব্রাহিম মিলনায়তনে ভারতের ৪টি দল, ঢাকা ও ঢাকার বাইরের ৩৬টি নাট্যদলসহ মোট ৪০টি মঞ্চনাটক প্রদর্শন করবে। এছাড়া সংগীত, আবৃত্তি ও নৃত্য মিলনায়তনে ১৯টি সংগীত, আবৃত্তি ও নৃত্য এবং উন্মুক্ত মঞ্চে ১২টি পথনাটক মঞ্চস্থ হবে। ১৫টি আবৃত্তি সংগঠন, ১৫টি সংগীত সংগঠন, ৭টি নৃত্য সংগঠন, ৩টি মূকাভিনয় সংগঠন, ১০টি শিশুদল এবং একক আবৃত্তি ও একক সংগীত পরিবেশনা নিয়ে এ উত্সব আয়োজিত হচ্ছে। আনুমানিক ৩ হাজার শিল্পীর অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে এবারের ‘গঙ্গা-যমুনা সাংস্কৃতিক উত্সব-২০১৯’ উদযাপিত হবে।

উত্সবের প্রথমদিন সন্ধ্যা ৬টায় জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে ১০ দিনব্যাপী ‘গঙ্গা-যমুনা সাংস্কৃতিক উত্সব-২০১৯’-এর উদ্বোধন করবেন নাট্যজন আসাদুজ্জামান নূর, এমপি ও  মেঘনাদ ভট্টাচার্য। উত্সবে মঞ্চনাটক, নৃত্য, আবৃত্তি, সংগীত, পথনাটক, যাত্রাপালা ও মূকাভিনয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মোট ১২১টি দল অংশগ্রহণ করবে।

উন্মুক্ত মঞ্চের সাংস্কৃতিক পর্ব প্রতিদিন ৪টা ৩০ মিনিট থেকে ৬টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত ও মঞ্চনাটক প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টায় শুরু হবে। জাতীয় নাট্যশালায় উদ্বোধনী নৃত্য পরিবেশন করবে স্পন্দন। এটি পরিচালনা করবেন অনিক বসু। উত্সবের সামগ্রিক বিষয় নিয়ে গঙ্গা-যমুনা নাট্যোত্সব পর্ষদের পক্ষ থেকে আজ সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে সেগুনবাগিচার বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার সেমিনার কক্ষে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।