বিপিএল দিয়ে ফেরার আশায় খালেদ

আপডেট : ০৮ অক্টোবর ২০১৯, ২১:১১

দীর্ঘদেহী, বোলিংয়ে গতিও খারাপ নয় খালেদ আহমেদের। লংগার ভার্শনের জন্য এই তরুণের মাঝে সম্ভাবনা দেখেছেন নির্বাচকরা। জাতীয় দলের হয়ে দুইটি টেস্টও খেলেছেন খালেদ। কিন্তু আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ক্যারিয়ারের শুরুতেই ইনজুরির দুর্ভাগ্য সঙ্গী হয়েছে ডানহাতি এই পেসারের। ঈদুল ফিতরের ছুটিতে বাড়িতে গিয়ে ইনজুরিতে পড়েছিলেন খালেদ। লিগামেন্ট ছিঁড়ে গিয়েছিল।

তারপর সার্জারি হয়েছে তার পায়ে। এখন রিহ্যাব চলছে সিলেটের এই তরুণের। প্রায়ই দেখা যায় মিরপুর স্টেডিয়ামের বিসিবি একাডেমি মাঠে একাকী বল ছুড়ছেন, ফিটনেসের কাজ করছেন জিমে, স্যান্ড পিটে পায়ের শক্তি বাড়াতে কাজ করছেন খালেদ।

রুটিন অনুযায়ী গতকালকের কাজ শেষ করে ২৭ বছর বয়সি এই পেসার বলেছেন, বিপিএলের সপ্তম আসর দিয়ে মাঠে ফিরতে চান। নভেম্বর থেকেই বোলিংয়ের অনুমতি পাবেন। জাতীয় দলের সিরিজ, ‘এ’ দলের সিরিজ ও এনসিএলে খেলতে না পারার যার হতাশা পোড়াচ্ছে খালেদকে।

নিজের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে গতকাল এই তরুণ বলেছেন, ‘এখন রিহ্যাবে আছি, এর শেষ বলতে কিছু নেই। ভালো হয়ে গেলে এটা চালিয়ে যেতে হবে। আলহামদুলিল্লাহ এখন ৭০ ভাগ ঠিক আছি।’

নভেম্বরে বোলিং শুরুর আশা করছেন খালেদ। তার রিহ্যাব কার্যক্রম চলছে বিসিবির ফিজিও বায়েজিদুল ইসলাম খানের অধীনে। গতকাল তিনি বলেছেন, ‘নভেম্বরের শেষের দিকে আমাকে ছাড় দিবে, আশা করছি এর মধ্যে সব শেষ হয়ে যাবে। এরপরই বোলিং শুরু করব। বিপিএল হলে, বিপিএল দিয়ে ফেরার আশা করছি।’

ইনজুরির ঘটনাও বর্ণনা করে শোনালেন খালেদ। তিনি বলেন, ‘রোজার মাসে ক্যাম্প ছিল, ঈদের আগের দিন ছুটি, বাড়িতে গিয়েছি, টিভি দেখতে বসে পায়ে টান খেয়েছিলাম তখন পা সোজা করতে গিয়ে জোর করে ফেলেছিলাম। ঐ সময়ই লিগামেন্ট ছুটে যায়। রোজার মধ্যে ছিলাম, হতে পারে সেহরির সময় পানি কম খেয়েছি। না বুঝেই মেরে দিয়েছিলাম, তখনই ইনজুরি হয়।’

খালেদ বেশ ফিটই ছিলেন। ইনজুরিতে না থাকলে হয়তো জাতীয় দলের হয়ে টেস্ট খেলতে পারতেন। সম্প্রতি ‘এ’ দলের সিরিজগুলোও মিস করছেন তিনি। আগামীকাল শুরু হতে চলা এনসিএলেও খেলা হচ্ছে না খালেদের। গতকাল বলেছেন, ‘অবশ্যই হতাশার, অনেক দিন ধরেই মাঠের বাইরে আছি। শুধু এনসিএল না, ‘এ’ দলের খেলা মিস করছি, জাতীয় দল, এসব মিস যাচ্ছে।’