কক্সবাজার-টেকনাফ সড়ক

দিনের বেলায় খোঁড়াখুঁড়ি দুর্ঘটনা বাড়ছে

আপডেট : ০৮ অক্টোবর ২০১৯, ২২:০৬

কক্সবাজার-টেকনাফ সড়ক আংশিক সম্প্রসারণের কাজ চলছে। রাস্তায় চলছে খোঁড়াখুঁড়ি, গাছ কেটে রাস্তার পাশে ফেলে রাখা হচ্ছে। দিনের বেলায় যানবাহন চলাচলরত অবস্থায় চলে সড়কের এসব কাজ। আর রাস্তার এ বেহাল দশার কারণে প্রায়শই ঘটছে দুর্ঘটনা, হতাহত হচ্ছে মানুষ। সর্বশেষ গত শুক্রবার কক্সবাজার সরকারি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী হুমাইরা নুর সাকী হ্নীলা নিজ বাড়ি যাওয়ার পথে থাইংখালী এলাকায় কাভার্ড ভ্যানের নিচে চাপাপড়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হন। সড়কে দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমাতে এলাকার মানুষ সড়ক সম্প্রসারণের কাজ রাতের বেলা করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে।

                কক্সবাজার সড়ক ও জনপদ বিভাগ সূত্রে জানায়, ২০১৭ সালে মিয়ানমারের বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গারা এখানে আশ্রয় নেওয়ার পর ভারী যানবাহন চলাচল বৃদ্ধি পাওয়ায় সড়ক দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়। এ অবস্থায় উখিয়া ফায়ার স্টেশন সার্ভিস থেকে টেকনাফের উংচিপ্রাং পর্যন্ত ২৫ কিলোমিটার পর্যন্ত সড়ক ১২ ফুট থেকে ২৪ ফুটে উন্নীত করার জন্য গত বছরের আগস্টে কার্যাদেশ দেওয়া হয় চারটি স্বনামধন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে। তন্মধ্যে লিংক রোড থেকে উখিয়া ফায়ার সার্ভিস পর্যন্ত ২৫ কিলোমিটার সড়ক সম্প্রসারণের কাজ পেয়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জামিল ইকবাল ও তমা কন্সট্রাকশন। পরের প্যাকেজ উখিয়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশন থেকে টেকনাফের উংচিপ্রাং ২৫ কিলোমিটার পর্যন্ত দেওয়া হয়েছে সালেহ আহমদ ও তাহের বাদ্রার্সকে।

উখিয়া উন্নয়ন কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও প্রেস ক্লাব সভাপতি সরোয়ার আলম শাহীন, সুশাসনের জন্য নাগরিক উখিয়া শাখার সভাপতি নুর মোহাম্মদ সিকদার এক যৌথ বিবৃতিতে জানান, ঠিকাদারি সংস্থাগুলো সড়ক সম্প্রসারণ কাজে গাফিলতি করার কারণে সড়কে তীব্র যানজটের পাশাপাশি সড়ক দুর্ঘটনায় মারা পড়ছে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। তারা বলেন, রাতের বেলায় সড়ক সম্প্রসারণের কাজ করা হলে সামগ্রিক পরিবেশের দৃশ্যমান উন্নতি হতো। তবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রাতের বেলায় পর্যাপ্ত আলোর অভাবে কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না। সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী পিন্টু চাকমা জানান, আগামী বছরের জুনে সড়ক সম্প্রসারণের কাজ শেষ করার কথা রয়েছে।