প্রতিভাময়ী একজন

আপডেট : ০৯ অক্টোবর ২০১৯, ১৮:১৮

মডেলিংয়ে নিজের প্রতিভার অনেক আগেই জানান দিয়েছেন এ্যানি। বর্তমানে আরটিভিতে প্রচারিত মেগা ধারাবাহিক ‘চিটিং মাস্টার’-এ বন্যা চরিত্রে অভিনয় করে বেশ প্রশংসিত হয়েছেন তিনি। এছাড়া সাবলীল উপস্থাপনেও নিজের যোগ্যতার পরিচয় দিয়েছেন এই প্রতিভাময়ী। তাকে নিয়ে লিখেছেন খালেদ আহমেদ

শৈশব থেকেই মিডিয়ার প্রতি আগ্রহ ছিল। একটা সময় স্বপ্ন দেখতেন পারফর্মিং মিডিয়ায় কাজ করার। নিজের প্রতিভাকে মেলে ধরতে মডেলিংয়ে নাম লেখান। তারিক আনাম খান নির্দেশিত একটি ঢেউটিনের বিজ্ঞাপনে মডেল হয়ে এ্যানি সর্বাধিক আলোচনায় আসেন। এই বিজ্ঞাপনে তার কণ্ঠের ‘আমি যামু না, আপনার জামাই খালি সস্তা খোঁজে। আর কি টিন দিয়া বাড়ি বানাইছে...’ সংলাপটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। পরবর্তীতে তার অভিজ্ঞতার ঝুলিতে যুক্ত হয় আরো কয়েকটি বিজ্ঞাপনচিত্রে পারফর্ম করার। এছাড়া বিভিন্ন ফ্যাশন হাউসের মডেল হিসেবেও কাজ করছেন এই প্রতিভাময়ী কন্যা। গত বছরের ১২ ডিসেম্বর আরটিভিতে সঞ্জিত সরকারের রচনা ও পরিচালনায় প্রচার শুরু হয়েছে ধারাবাহিক নাটক ‘চিটিং মাস্টার’-এর। এই ধারাবাহিকের বন্যা চরিত্রে অভিনয় করে বেশ প্রশংসিত হচ্ছেন এ্যানি খান। গত ৪ অক্টোবর ধারাবাহিকটির দেড়শ’তম পর্ব প্রচারিত হয়। সমাজের নানা অসঙ্গতিকে নিয়ে নির্মিত এ ধারাবাহিকে অভিনয় প্রসঙ্গে এ্যানি বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমি যে ধারাবাহিকগুলোতে অভিনয় করছি, তার মধ্যে আমার ভীষণ ভালোলাগার একটি নাটক হলো ‘চিটিং মাস্টার’। এই ধারাবাহিকে আমরা যারা অভিনয় করছি, তাদের মধ্যে সম্পর্কটা অনেকটাই পরিবারের মতোই হয়ে গেছে। কারণ গত বছর থেকে আমরা এই নাটকের কাজ করছি একসঙ্গে। যে কারণে সবার মধ্যে একটা আত্মার বন্ধন তৈরি হয়েছে। আর সঞ্জিত দাদা দারুণ অমায়িক একজন মানুষ। একজন পরিচালক হিসেবে তিনি বিচক্ষণ নিঃসন্দেহে, একজন মানুষ হিসেবেও দারুণ ভালো। একটি ইউনিট ভালো হওয়ার ক্ষেত্রে পরিচালকের ইচ্ছেটাই অনেক বড়। চিটিং মাস্টার ধারাবাহিকের ইউনিট এক কথায় অসাধারণ। যে কারণে কাজ করে দারুণ ভালো লাগে। আর বন্যা চরিত্রে অভিনয়ের জন্য আমি বেশ ভালো সাড়া পাচ্ছি।’ সম্প্রতি তিনি নতুন দুটি ধারাবাহিক নাটকের কাজও শুরু করেছেন। একটি সৈয়দ শাকিলের ‘নীল ঘূর্ণি’ ও অন্যটি জয় সরকারের ‘আজব রঙের মানুষ’। মডেলিং না অভিনয় কোনটি আপনার পছন্দের, এমন প্রশ্নের জবাবে এ্যানি বলেন, ‘মডেলিং আমাকে চুম্বকের মতো টানে আর অভিনয় হলো ভালোবাসা। ভবিষ্যতে একজন ভালো অভিনেত্রী হতে চাই।’ তিনি বলেন, ‘আমার কাজে পরিবার থেকে অনেক উত্সাহ ও সহযোগিতা পেয়েছি। সেই জন্য আমি নিজেকে ভাগ্যবতী মনে করি। মা-বাবার সহযোগিতা ছাড়া মিডিয়াতে কাজ করা অনেক কষ্ট। আর আমার প্রতি তাদেরও একটা আস্থা আছে। তারা ভালোভাবেই জানেন তাদের মেয়ে এমন কিছু করবেন যাতে তারা মনে কষ্ট পান।’