রাজধানীতে বিএনপির অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী আটকের অভিযোগ

আপডেট : ১২ ডিসেম্বর ২০১৮, ০০:৩৪

নাশকতার পুরোনো মামলায় ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সহ-সভাপতি আবদুল আলীম নকিসহ বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের ৬১ জন নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার তাদের ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে পুলিশ।

পুলিশ ও আদালত সূত্র বলছে, নাশকতার মামলায় বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা আশরাফুর রহমান আশরাফসহ আটজন নেতা-কর্মীকে সোমবার গ্রেপ্তার করে মিরপুর থানা-পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার তাদের আদালতে হাজির করে বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করে। আদালত এসব আসামিকে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন নাকচ করে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদ করার নির্দেশ দেন।

পুলিশ সূত্র বলছে, বনানী থানার নাশকতার মামলায় গ্রেপ্তার আলম নকিকে আদালতে হাজির করে দশ দিন রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করে। আসামিপক্ষের আইনজীবী রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিনের আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আবদুল আলীম নকির তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

পুলিশ, আইনজীবী এবং আদালত সূত্র বলছে, নাশকতার পুরোনো মামলায় শাহবাগ, রমনা, বাড্ডা, ভাটারা, গুলশান, বনানী, মিরপুর, শেরেবাংলা নগর, তেজগাঁও, হাতিরঝিল, মোহাম্মদপুর, পল্লবী, রূপনগর, কাফরুল, পল্টন, মতিঝিল, শাহজাহানপুর, রামপুরা, সবুজবাগ, যাত্রাবাড়ী, চকবাজার, কামরাঙ্গীরচর, দারুস সালাম, উত্তরা-পূর্বখান এবং দক্ষিণখান থানা বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের ৬১ জন নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে। এছাড়া মিরপুর থানার বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলায় বিএনপি নেতা ওয়াজ উদ্দিন মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ঢাকা মহানগর উত্তরের জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের সহ-সভাপতি ও পল্লবী থানা বিএনপির সহ-সভাপতি এ কে এম মোয়াজ্জেম হোসেনসহ বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের অর্ধশত নেতাকর্মীকে পুলিশ আটক করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর মিরপুর, পল্লবী, দারুস সালাম, যাত্রাবাড়ীসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয় বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, সন্ধ্যায় দারুস সালাম থানাধীন এস এ খালেকের বাড়িতে মিটিং চলাকালে বিএনপির অন্তত ১০ জন নেতাকর্মীকে ধরে নিয়ে যায় পুলিশ।

তার ভাষায়, এদিন দুপুরে দলের সাবেক তিন কাউন্সিলর- হাজী মির্জা হোসেন মিরু, মোজাম্মেল হোসেন, আব্দুর রশিদ বাদশাসহ কয়েকজনকে আটক করে পুলিশ।