ছাত্র হত্যার রাজনীতি শুরু করে আওয়ামী লীগ :খন্দকার মাহবুব

আপডেট : ০৯ অক্টোবর ২০১৯, ২২:২১

বুয়েটের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যার বিচারের দাবিতে সরব হয়েছেন সর্বোচ্চ আদালতের আইনজীবীরা। মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল এবং সংবাদ সম্মেলন করে পৃথকভাবে এ দাবি জানানো হয়। সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি ভবন প্রাঙ্গণে আয়োজিত কর্মসূচিতে বিএনপিপন্থি আইনজীবীদের সংগঠন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেছেন, বিচারহীনতার কারণে আজকে সারাদেশে হত্যাযজ্ঞ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র হত্যা নতুন নয়। ১৯৭৪ সালে প্রথম ছাত্র হত্যার রাজনীতি শুরু করেছিল আওয়ামী লীগ। গণমাধ্যমের পরিসংখ্যান অনুযায়ী এ পর্যন্ত ১৫১ জন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র খুন হয়েছে। এসব খুনের সুষ্ঠু বিচার আজও হয়নি।

অপরদিকে এক            সংবাদ সম্মেলনে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট এ এম আমিনউদ্দিন বলেন, আবরার হত্যাকাণ্ডের বিচার নিয়ে যেন কোনো রাজনীতি না হয়। ছেলেটিকে যারা পিটিয়ে হত্যা করেছে, তারা মেধাবী ছাত্র হলেও, মানুষ নন। কোনো মানুষ এভাবে কাউকে পিটিয়ে হত্যা করতে পারে না। তিনি বলেন, দুষ্কৃতকারীদের কোনো দল নেই, পরিচয় নেই। তাদের একমাত্র পরিচয় হচ্ছে দুষ্কৃতকারী। সেই দুষ্কৃতকারীরা আবরারকে পিটিয়ে হত্যা করেছে। এই ঘটনায় যারা দায়ী তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় কাজ করছেন। তিনি নিজেও বলেছেন, এই হত্যার বিচার হবেই।

বার সম্পাদক ব্যারিস্টার এম মাহবুবউদ্দিন খোকন বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব নিয়ে নিজের চিন্তা ও স্বাধীনভাবে মত প্রকাশ করায় ছাত্রলীগের নেতারা আবরারকে পিটিয়ে হত্যা করে। এই হত্যাকারীরা হলো প্রকৃত জঙ্গি। এদেরকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে বিচার সম্পন্ন করতে হবে।

বিএনপিপন্থি আইনজীবীদের বিক্ষোভ মিছিল

মানববন্ধন কর্মসূচি ও সভা শেষে বিক্ষোভ মিছিল বের করে বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা। এতে নেতৃত্ব দেন খন্দকার মাহবুব হোসেন। তিনি বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে জেলে রাখা হয়েছে। তার জামিন অন্যায়ভাবে না-মঞ্জুর করা হচ্ছে। দীর্ঘদিন যাবত্ তিনি অসুস্থ অবস্থায় কারাগারে আছেন। আরো বক্তব্য রাখেন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সদস্য সচিব ফজলুর রহমান, মীর মোহাম্মদ নাসিরউদ্দিন, রুহুল কুদ্দুস কাজল, আবেদ রাজা, কামরুল ইসলাম সজল প্রমুখ।