ফরিদপুরের ভাঙ্গায় পিকআপ চালক কেরামত হাওলাদার (৩৫) হত্যা মামলায় সাত জনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. সেলিম মিয়া। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে সাত আসামির মধ্যে পাঁচ জনের উপস্থিতিতে তিনি এ রায় ঘোষণা করেন। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়টি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত ও প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন: তোফা মোল্যা, পলাশ ফকির, সিদ্দিক খালাসি, এরশাদ মাতুব্বর, সুরুজ ওরফে সিরাজুল খাঁ, নাইম মাতুব্বর ও আনু মোল্যা ওরফে আনোয়ার মোল্যা। এদের সকলের বাড়ি ভাঙ্গা উপজেলার চান্দ্রা গ্রামে। এদের মধ্যে নাইম মাতুব্বর ও সুরুজ ওরফে সিরাজুল পলাতক রয়েছে।
আদালতের ভারপ্রাপ্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) দুলাল চন্দ্র সরকার জানান, ২০১৪ সালের ১৪ ডিসেম্বর রাতে ভাঙ্গা উপজেলার উত্তর লোহারদিয়া গ্রামের পিকআপ চালক কেরামত হাওলাদার নিখোঁজ হন। পরদিন ভোরে পার্শ্ববর্তী ছলিলদিয়া দিঘলকান্দা বিলের ভেতর থেকে কেরামতের গলা ও পেট কাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ১৫ ডিসেম্বর নিহতের ভাই ইকরাম হাওলাদার বাদী হয়ে ভাঙ্গা থানায় মামলা দায়ের করেন। পুলিশ মোবাইল ফোনের কললিস্টের সূত্র ধরে তোফা মোল্যাকে আটক করলে সে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। পরে তার দেওয়া তথ্যানুযায়ী পুলিশ বাকি আসামিদের আটক করে।
