হবিগঞ্জে গ্রামবাসীর পৃথক সংঘর্ষে আহত ৬০

আপডেট : ১১ অক্টোবর ২০১৯, ২১:৩২

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ ও বানিয়াচংয়ে গ্রামবাসীর পৃথক সংঘর্ষে ৬০ জন আহত হয়েছে। নবীগঞ্জে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই দল গ্রামবাসীর সংঘর্ষে ৫০ জন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ১৫ জনকে সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। অন্য আহতদের নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি ও প্রাথমিক চিকিত্সা প্রদান করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার করগাঁও ইউনিয়নের মুক্তাহার গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের খবর পেয়ে নবীগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুপক্ষের নেতৃত্বদানকারী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শৈলেন চন্দ্র দাশ ও ছাত্রলীগ নেতা রতন দীপ দাশ রাজুকে আটক করেছে।

আহত ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উল্লেখিত ব্যক্তিদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জের ধরে বৃহস্পতিবার সকালে উভয়পক্ষ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। নবীগঞ্জ থানার এসআই সামসুল ইসলাম জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা ছাড়াও দুপক্ষের নেতৃত্বে থাকা দুজনকে আটক করা হয়। এছাড়া একই দিন বানিয়াচং উপজেলার পুকড়া ইউনিয়নের মুড়ারআব্দা গ্রামে জলমহাল দখল নিয়ে বিরোধের জের ধরে দুপক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। আহত ছয় জনকে সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এদের মধ্যে গুরুতর আহত তিন জনকে সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, ঐ উপজেলার মুড়ারআব্দা গ্রামের গনেশ দাস এবং রনি দাসের মধ্যে একটি বিলের দখল নিয়ে বিরোধ চলছিল। এর জের ধরে বৃহস্পতিবার দুপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। বানিয়াচং থানার ওসি তদন্ত প্রজিত্ কুমার দাস জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত আছে। তবে কাউকে আটক করা হয়নি। এ ব্যাপারে কেউ কোনো অভিযোগও দেয়নি।