আমিষের চাহিদা পূরণে ডিমের পুষ্টি অতুলনীয়

আপডেট : ১১ অক্টোবর ২০১৯, ২১:৫২

জন্মের আগে থেকেই মায়ের শরীরে পুষ্টির চাহিদা পূরণের মধ্য দিয়ে ডিমের কার্যকারিতা শুরু হয়। এরপর জীবনের প্রতিটি ধাপেই মানুষের ডিমের পুষ্টি দরকার। শরীরের মূল্যবান আমিষের চাহিদা পূরণে ডিমের পুষ্টি অতুলনীয়ভাবে কাজ করে। গতকাল শুক্রবার সিরডাপ মিলনায়তনে বিশ্ব ডিম দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। এবারের ডিম দিবসের প্রতিপাদ্য ছিল ‘সুস্থ মেধাবী জাতি চাই, প্রতিদিনই ডিম খাই।’ বক্তারা বলেন, শৈশব-কৈশোর-যৌবন এবং জীবনের প্রতিটি সময় শরীরের জন্য মূল্যবান অত্যাবশ্যকীয় আমিষ হলো ডিম। ডিমকে সঠিকভাবে প্রমোট করতে হবে। বক্তারা আরো বলেন, ডিমকে বলা হয় কমপ্লিট ফুড বা পরিপূর্ণ খাদ্য। কখনো একে বলা হয় সুপার ফুড। ভিটামিন ও মিনারেলে সমৃদ্ধ এমন একটি প্রাকৃতিক আদর্শ খাবার পৃথিবীতে খুব কমই আছে। সম্প্রতি জাপানের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অ্যাডভান্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি গবেষকরা এমন একটি মুরগির জাত উদ্ভাবন করেছেন যে, মুরগির ডিম ক্যান্সার প্রতিরোধে সক্ষম হবে।

আলোচনা সভায় মত্স্য প্রতিমন্ত্রী মো. আশরাফ আলী খান খসরু বলেন, মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর মিট অ্যান্ড বোন মিল (এমবিএম) আমদানি করছে অসাধু ফিড ব্যবসায়ীরা। তাদেরকে ব্যবসায়ে স্বচ্ছতা আনতে কড়া হুঁশিয়ারি দেন তিনি। তিনি বলেন, পাঁচটি উপাদানে তৈরি হয় পোলট্রির খাবার। কিন্তু ব্যবসায়ীরা ফিসমিলের জায়গায় আমদানি করছে এমবিএম। যা শূকরের হাড়ের তৈরি খাবার। এই মিট অ্যান্ড বোন মানুষের শরীরের জন্য ক্ষতিকর। বাংলাদেশ সরকারের মত্স্য ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, বাংলাদেশ পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিল এবং ওয়ার্ল্ডস পোলট্রি সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ শাখা (ওয়াপসা-বিবি) বিশ্ব ডিম দিবস যৌথভাবে উদ্যাপন করেছে।