উদ্ধার হয়নি বাকি টাকা রিমান্ডে গ্রেফতারকৃত ছিনতাইকারী

আপডেট : ১১ অক্টোবর ২০১৯, ২১:৫২

পল্টনে এক ব্যবসায়ীর ছিনতাই হওয়া কোটি টাকার বাকি অংশ গতকাল পর্যন্ত পুলিশ উদ্ধার করতে পারেনি। গ্রেফতারকৃত ছিনতাইকারী সোহাগকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গতকাল পল্টন থানা পুলিশ চার দিনের রিমান্ডে নিয়েছে। ছিনতাইয়ের ঘটনায় পল্টন থানায় ডাকাতি মামলা হয়েছে। মামলার বাদী আব্দুল হান্নান। তিনি পনা রুমা অ্যাপারেলস অ্যান্ড হোম টেক্সস এবং ফ্যাশন আইনাল নামে দুই প্রতিষ্ঠানের মালিক বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। তার অফিস ৬৫/২/১ পল্টন বক্স কালভার্ট রোডে। গ্রামের বাড়ি নোয়াখালী।

মামলার এজাহারে তিনি উল্লেখ করেন, সাভারের একটি প্রতিষ্ঠান তার কাছে ৯৫ লাখ টাকা পাবে। সে টাকা পরিশোধের জন্য বৃহস্পতিবার বেলা ৩টার দিকে  ব্র্যাক ব্যাংক  থেকে ৬০ লাখ, সোনালী ব্যাংক থেকে ২০ লাখ টাকা  তোলেন। এছাড়া পুরান ঢাকার চকবাজারের এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে আরো ১৫ লাখ টাকা সংগ্রহ করেন। এরপর  প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী নাইমুর রহমান, মাহবুবুর রহমান ও মাইক্রোবাস চালক মকবুল হোসেনকে নিয়ে সাভারের উদ্দেশে রওনা হন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তাদের বহনকৃত মাইক্রোবাস জিপিওর সামনে পৌঁছামাত্র অপর একটি মাইক্রোবাসে পাঁচ ছিনতাইকারী ডিবি পুলিশ পরিচয় তাদের পথরোধ করে। একপর্যায়ে ছিনতাইকারীরা মাইক্রোবাসে থাকা নাইমুর রহমান ও মাহবুবুর রহমানকে কিল ঘুষি মেরে দুইটি ব্যাগে থাকা ৯৫ লাখ টাকা ছিনিয়ে নেয়। পালানোর সময় তাদের চিত্কারে পুলিশের টিএসআই মোহাম্মদ আলী, এসআই অলিউর, ট্রাফিক পুলিশ জাফরুল্ল জনতার সহায়তায় ছিনতাইকারী সোহাগকে ধরে ফেলে। এ সময় তার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ২৫ লাখ ৮৯ হাজার টাকা।

এ ব্যাপারে ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের উপ-কমিশনার আনোয়ার হোসেন বলেন, খোয়া যাওয়া টাকা উদ্ধার ও জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। তিনি আরো বলেন, ছিনতাইকারীরা সংখ্যায় ছিল পাঁচ জন। তাদের ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া গেছে।  এরা পেশাদার ছিনতাইকারী। গত এক মাস আগে জেলখানা থেকে তারা জামিনে ছাড়া পায়। টাকার উত্স কী—এ ব্যাপারে পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, আগে খোয়া যাওয়া টাকা উদ্ধার হোক। পরে টাকার উত্স তদন্ত করে দেখা হবে। উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার গুলিস্তানে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামের ১ নম্বর গেটের সামনে এ ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে।