বিনোদন রিপোর্ট
শুরু হয়েছে ‘গঙ্গা-যমুনা সাংস্কৃতিক উত্সব ২০১৯’। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ শিল্পকলা অ্যাকাডেমি ও ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় অষ্টমবারের মতো এ উত্সব আয়োজন করেছে গঙ্গা-যমুনা সাংস্কৃতিক উত্সব পর্ষদ। বাংলাদেশ ও ভারতের ১২১টি সংগঠনের প্রায় সাড়ে ৩ হাজার শিল্পীর অংশগ্রহণে শুরু হলো ১০ দিনব্যাপী এই উত্সব।
মঞ্চে নাট্য মঞ্চায়নের পাশাপাশি শিল্পকলা একাডেমির সংগীত ও নৃত্যকলা মিলনায়তন এবং জাতীয় নাট্যশালার উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে থাকবে সাংস্কৃতিক নানা পরিবেশনা। শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার মূল মিলনায়তন, পরীক্ষণ থিয়েটার হল, স্টুডিও থিয়েটার হল, সংগীত আবৃত্তি ও নৃত্য মিলনায়তন এবং মহিলা সমিতিতে এ উত্সবের আয়োজন করা হয়েছে। ১০ দিনের এ উত্সবে ৩৬টি মঞ্চ নাটকের মঞ্চায়ন হবে। এছাড়া প্রতিদিনই থাকবে পথনাটক, আবৃত্তি, সংগীত, নৃত্য ও মূকাভিনয়।
আজ ৪টি ভেন্যুতে মঞ্চায়িত হবে ৪টি নাটক। এক্সপেরিমেন্টাল থিয়েটার হলে মঞ্চায়িত হবে নাট্যদল মহাকাল নাট্য সম্প্রদায়ের প্রযোজনায় কাজী নজরুল ইসলামের ‘সাপুড়ে’ আশ্রয়ে ‘নীলাখ্যান’। নাটকটি রচনা করেছেন আনন জামান ও নির্দেশনা দিয়েছেন ইউসুফ হাসান অর্ক। বাংলাদেশ মহিলা সমিতির ড. নীলিমা ইব্রাহিম মিলনায়তনে মঞ্চায়িত হবে দেশ নাটকের প্রযোজনায় নাটক ‘সুরগাঁও’। এটি রচনা ও নির্দেশনা দিয়েছেন মাসুম রেজা। জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে মঞ্চায়িত হবে নাগরিক নাট্যাঙ্গন বাংলাদেশ প্রযোজনায় নাটক ‘গহর বাদশা ও বানেছা পরী’। এটির পুনর্কথন ও নির্দেশনা দিয়েছেন ‘হূদি হক’। স্টুডিও থিয়েটার হলে মঞ্চায়িত হবে বাঙলা নাট্যদল প্রযোজনায় নাটক ‘মেঘ’। নাটকটি রচনা করেছেন উত্পল দত্ত ও নির্দেশনা দিয়েছেন হ ম শহীদুজ্জামান।
