চট্টগ্রামে দাপিয়ে বেড়ানো লোকজন আত্মগোপনে

আপডেট : ১২ অক্টোবর ২০১৯, ২২:২৩

ঢাকার অভিযানের পরপরই অনেকটা গা ঢাকা দিয়েছে চট্টগ্রামের ক্ষমতাধর অসাধু লোকজন। নিজেদের গুটিয়ে নিয়ে অনেকে আত্মগোপনে গেছে। এ কারণে চট্টগ্রামে দাপিয়ে বেড়ানো লোকজনকে বর্তমানে খুব একটা দেখা যাচ্ছে না। রাস্তায় উচ্চ শব্দের হাইড্রোলিক হর্ন বাজিয়ে কিংবা গাড়ি ও মোটর সাইকেলের বহর নিয়ে চলাচলকারী চিহ্নিতরাও আত্মগোপনে। অনেকে চলাচল সীমিত করে ফেলেছে। বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে প্রকৌশলীদের অফিসে পালাক্রমে টেন্ডার নিয়ে যে মহড়া দেখা যেত তাও গত কয়েকদিন ধরে খুব একটা দেখা যাচ্ছে না। অনেকের মতে, এ কারণেই এ পর্যন্ত চট্টগ্রামে একজন চিহ্নিত অপরাধীও আটক হয়নি।ঢাকায় বিভিন্ন ক্লাবে ক্যাসিনো, জুয়া, টেন্ডার, চাঁদাবাজি সহ অবৈধ কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত অনেককে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আটক করেছে। অনেকে আবার গা ঢাকা দিয়েছেন। ঢাকার অভিযানের ২/৩ দিন পর চট্টগ্রামের বিভিন্ন ক্লাব ও আস্তানায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান চালিয়ে তেমন কিছুই পায়নি। অনেকের মতে ঢাকার অভিযানের পরপরই চট্টগ্রামের অসাধু লোকজন নিজেদেরকে গুটিয়ে নিয়েছে। অনেকে আবার আত্মগোপনে চলে গেছে। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, অপরাধীদের ব্যাপারে তারা ওয়াকিবহাল। তাদের আটক সময়ের ব্যাপার। অন্যদিকে অপরাধীরাও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। এদের কয়েকজন ইতিমধ্যে দেশ ছেড়েছেন। চট্টগ্রামে সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান থেকে টেন্ডার ভাগিয়ে নেওয়ার সাথে জড়িতদের মধ্যে শীর্ষ কথিত প্রভাবশালী ব্যক্তি বা মাস্তানদের ইতিমধ্যে তালিকা তৈরি করা হয়েছে বলে সূত্রে জানা যায়। তালিকাভুক্তদের অনেকে দেশ ছেড়েছে আবার অনেকে আত্মগোপনে চলে গেছে। ঢাকার জি কে শামীমের মতোই চট্টগ্রামেও কয়েকটি সংস্থায় সকল পক্ষকে ম্যানেজ করে হাজার হাজার কোটি টাকার কাজ বাগিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। টেন্ডার নিয়ে খুনের ঘটনা পর্যন্ত ঘটেছে।