গাছ মধ্যম আকৃতির ছড়ানো ও কিছুটা ঝোপালো। এপ্রিল-মে মাসে গাছে ফুল আসে। নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে ফল পরিপক্ব হয়, আকারে তুলনামূলকভাবে বড়। প্রতিটি ফলের গড় ওজন ৪৬.৩৩ গ্রাম। পাকা ফলের রং হালকা সবুজাভ, শাঁস সাদা এবং মধ্যম। বীজ খুব ছোট। খাদ্যোপযোগী অংশ ৮৪.৯৯%। বাংলাদেশের সব এলাকায় চাষযোগ্য। তবে কুমিল্লা, গাজীপুর, টাঙ্গাইল, নরসিংদী ও নোয়াখালী জেলায় বেশি উত্পন্ন হয়।
জলপাইয়ের তেল ম্যাসাজ অয়েল, প্রলেপ ও রোচক হিসেবে ব্যবহূত হয়।
প্রচুর ভিটামিন সি সমৃদ্ধ এই ফলে ক্যালসিয়াম ও লৌহ বিদ্যমান। প্রতি ১০০ গ্রাম খাদ্যোপযোগী জলপাইয়ে ৮২ গ্রাম জলীয় অংশ, ২২ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ০.৭ গ্রাম খনিজ পদার্থ, ১.৬ গ্রাম হজমযোগ্য আঁশ, ১.০ গ্রাম আমিষ, ১৬.২ গ্রাম শর্করা, ৩.১ গ্রাম লৌহ, সামান্য পরিমাণে ভিটামিন বি১ ও বি২, ৩৯ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি এবং ৭০ কিলোক্যালরি খাদ্যশক্তি রয়েছে।
জলপাইয়ের চাটনি ও আচার বেশ জনপ্রিয়। তরকারি ও ডালের স্বাদ বৃদ্ধির জন্য রান্নায় ব্যবহার করা হয়। জলপাইয়ের আচার একটি মুখরোচক খাবার।
