সৈয়দপুরে শরতেই লেপ ও কাঁথা সেলাইয়ে ব্যস্ততা

আপডেট : ১৩ অক্টোবর ২০১৯, ২১:১৩

রাতের হালকা শীত ও ভোররাতে কুয়াশা জানান দিচ্ছে শীতের আগমনি বার্তা। যদিও দিনে একটু গরম অনুভূত হচ্ছে। ফলে লোকজনকে রাতে কাঁথা বা মোটা কাপড় গায়ে জড়াতে হচ্ছে। উত্তরের হিমালয়ঘেঁষা সৈয়দপুরে বর্তমানে এই পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এদিকে শীতের আগমনে উপজেলার প্রায় প্রতিটি ঘর ও দোকানে লেপ এবং কাঁথা তৈরিতে ব্যস্ততা বেড়েছে লোকজনের।

কয়েকদিন আগে নিম্নচাপের যে বৃষ্টি হয়েছে তাতে শীতের আগমন ঘটে। দিন দিন শীতের তীব্রতা বাড়ছে। এরই মধ্যে লোকজন ধুনরিদের দোকানে লেপ তৈরির জন্য যাচ্ছেন। ফলে এসব দোকানে প্রতিনিয়ত ভিড় বাড়ছে। আর অভাবী ও গরিব মানুষ শীত নিবারণের জন্য পুরোনো ছেঁড়া কাঁথা সেলাই করে নিচ্ছেন।

উপজেলার লেপ তৈরির কারিগর ইসরাইল, কাইয়ুম ও সরফরাজ বলেন, শীতের শুরুতে প্রচুর লেপ-তোষকের অর্ডার আসছে। দিনে চার থেকে পাঁচটির বেশি লেপ সেলাই করা যায় না। সারাদিনে মজুরি মিলে ৩০০ টাকা। বাকি লাভটা থাকে দোকানের মালিকের। এদিকে শীতের শুরুতে লেপ-তোষক তৈরি করে রেখেছেন জয়নুল আবেদীন। শীতের শুরুতে এসব রিকশা ভ্যানে করে ফেরি করে গ্রামে গ্রামে বিক্রি করেন। তিনি বলেন, প্রায় ১ লাখ টাকার লেপ-তোষক গার্মেন্টস তুলা দিয়ে তৈরি করে গুদামজাত করে রেখেছি। আশাকরি এসব বিক্রি করে দুটো পয়সা ঘরে আসবে।

কুয়াশা জানান দিচ্ছে শীতের আগমন

গঙ্গাচড়া (রংপুর) সংবাদদাতা জানান, দিনে প্রচণ্ড গরম হলেও গঙ্গাচড়ায় সকালে শীতের কুয়াশা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। শীতের আগাম বার্তা নিয়ে আসছে। ধানগাছ কিংবা ঘাসের ডগায় শিশির বিন্দু জানান দিচ্ছে শীতের দিনের কুয়াশার কথা। দিনের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে অথচ রাতের তাপমাত্রা কমছে। অনেকে দিন শেষে হালকা গরম কাপড় জড়াচ্ছেন শরীরে। এদিকে উপজেলার কৃষকরা বলছেন, এ অবস্থায় কৃষিতে বিশেষ করে আমন ধানে ছত্রাক আক্রমণ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এতে ধানের খোল পচা ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম বলেন, দিনে গরম আর রাতে ঠাণ্ডা এবং সকালে কুয়াশা এটি ধানের ক্ষতির জন্য দায়ী।