দুই পিকআপ ভর্তি টাকার গন্তব্য ছিল ফেনী কিংবা চৌদ্দগ্রাম। এদের মধ্যে একজন চালককে শনাক্ত করা গেছে। কিন্তু তারা এখন কোথায় রয়েছেন, তাদের ভাগ্যে কী ঘটেছে তা জানা যায়নি। তাদের মোবাইল ফোনও বন্ধ রয়েছে। পিকআপ দুটিরও সন্ধান মেলেনি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা।
গত ১৮ সেপ্টেম্বর ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরু হওয়ার দুই দিন পর দুই পিকআপ ভর্তি টাকা সরানোর লক্ষ্যে ঢাকা থেকে রওনা হয়। এই টাকা কোথায় গেছে, কার টাকা, এখন কী অবস্থায় আছে—সবকিছু উদ্ঘাটনের চেষ্টা করছে একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা। সেদিন রওনা হওয়ার পর চৌদ্দগ্রাম পর্যন্ত একজন চালকের মোবাইল নম্বর ট্র্যাকিং করেন গোয়েন্দারা। কিন্তু এরপর তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এখন তাদের হদিস মিলছে না। ফেনীতে এক পৌর মেয়রের কাছে টাকাগুলো যাচ্ছিল, নাকি চৌদ্দগ্রামে যাচ্ছিল বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে পাচার করার আগেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান শুরু হওয়ায় দুই পিকআপ ভর্তি টাকা নিয়ে একশ্রেণির দুর্নীতিবাজ নেতা বেকায়দায় পড়েন। এমন পরিস্থিতিতে পড়তে হবে এটা তাদের ধারণাতেই ছিল না। ঐ দুই পিকআপ ভর্তি টাকা খালেদ মাহমুদ ভুঁইয়া কিংবা তার বস হিসেবে খ্যাত এক নেতার টাকা হতে পারে। গোয়েন্দারাও এমনটি ধারণা করছেন। সম্প্রতি অভিযানে গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে খালেদ মাহমুদ ভুঁইয়া ও তার বসের টাকাই সবচেয়ে বেশি।
