সনাতন হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উত্সব কোজাগরী লক্ষ্মীপূজা গতকাল যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদায় ও ভাবগাম্ভীর্য পরিবেশে নানা আয়োজনে উদ্যাপিত হয়েছে। বিভিন্ন মন্দির ছাড়াও হিন্দুদের ঘরে ঘরে এ উপলক্ষ্যে পূজা অর্চনা ও ব্রত পালন করা হয়। বাংলাদেশে চান্দ্র আশ্বিন মাসের পূর্ণিমা তিথিতে অর্থাত্ কোজাগরী পূর্ণিমায় দেবী লক্ষ্মীর আরাধনা করা হয়।
পঞ্জিকা মতে, পূর্ণিমা তিথি শনিবার রাত ১টা ২২ মিনিট পরে আরম্ভ হয়ে গতকাল রাত ১২টা ৫৫ মিনিট পরে শেষ হয়। এ সময়ের মধ্যেই লক্ষ্মীপূজার সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ করা হয়। লক্ষ্মীপূজার আনুষ্ঠানিকতা শেষে অঞ্জলি, প্রসাদ বিতরণ ও অতিথি আপ্যায়ন করা হয়। অন্নপূর্ণার আলতা রাঙা পায়ের চিহ্ন আঁকা হয় হিন্দুদের ঘরবাড়ির আঙিনায়। মঠ, মন্দির ও মণ্ডপে করা হয় আলোকসজ্জা। বাঙালি হিন্দুরা বিশ্বাস করেন, দেবী লক্ষ্মী শুধু ধনই দেন না, ষোল প্রকার সম্পদ প্রদান করেন তিনি। খ্যাতি, জ্ঞান, সাহস, শক্তি, জয়, সুসন্তান, বীরত্ব, স্বর্ণ, অন্যান্য রত্নরাজি, শস্য, সুখ, বৃদ্ধি, সৌন্দর্য, উচ্চাশা, উচ্চভাবনা, নৈতিকতা, সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘজীবন।
প্রবারণা পূর্ণিমা উদ্যাপন
এদিকে বৌদ্ধরা গতকাল পূর্ণিমা রাতে ফানুস উড়িয়ে প্রবারণা পূর্ণিমা উদ্যাপন করেন। প্রবারণা পূর্ণিমা মূলত ভিক্ষুদের অনুষ্ঠান। এ উপলক্ষ্যে গতকাল দেশের প্রতিটি বৌদ্ধ বিহারে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। সন্ধ্যায় বিভিন্ন বিহারে ওড়ানো হয় ফানুস।
