জেরুজালেমে মুসলিমদের পবিত্র আল-আকসা মসজিদে ইহুদিদের প্রার্থনার অনুমতি দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ইসরাইলের জননিরাপত্তা মন্ত্রী গিলাদ এরদান। ইসরাইলের ডানপন্থি মিডিয়া ম্যাকর রিশনের এক প্রশ্নের জবাবে এই কথা বলেন মন্ত্রী এরদান। খবর মিডল ইস্ট মনিটরের
শিগিগরই অনুমতি দেওয়া হবে উল্লেখ করে জননিরাপত্তা মন্ত্রী এরদান বলেন, জেরুজালেমের পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে, ঐ স্থানটির নিয়ন্ত্রণ এবং সার্বভৌমত্ব অর্জন করা যাবে। আল-আকসার দরজা ইহুদিদের জন্য খুলতে ইসরাইল তার লক্ষ্যে দ্রুত পৌঁছাতে পারবে বলে জানান এরদান। ইহুদিরা যখন বেশি করে টেম্পল মাউন্ট পরিদর্শনে যাবে এবং তারা দাবি জানাবে তখন বড়ো ধরনের চাপ তৈরি হবে। আর খুব শিগিগরই সেটা ঘটবে বলে আশা করেন মন্ত্রী এরদান। মন্ত্রী আরো বলেন, আমরা যখন এই পর্যায়ে পৌঁছাব তখন ইসরাইলের আন্তর্জাতিক স্বার্থের আলোকে জেরুজালেমের ঐতিহাসিক মর্যাদা পরিবর্তনের চেষ্টা চালাব। তবে এটা কখন ঘটবে সেটা জানেন না উল্লেখ করে এরদান বলেন, কয়েক বছরের মধ্যেই ঘটবে। যদিও এক দশকের বেশি সময় নয়। কারণ এর সঙ্গে শক্তির সম্পর্ক নেই। মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি জটিল থেকে জটিলতর মন্তব্য করে জননিরাপত্তা মন্ত্রী জর্ডানের সঙ্গে চুক্তিকে সম্মান জানান। তবে একটা ঐতিহাসিক ভুলকে মেনে নেওয়া যায় না বলে উল্লেখ করেন তিনি।
আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণ একই সঙ্গে মুসলিম ও ইহুদিদের জন্য পবিত্র স্থান বলে বিবেচিত হয়। মুসলিমরা একে ‘আল-হারাম আল-শরিফ’ নামে ডেকে থাকেন। আর ইহুদিরা এ স্থানটিকে ডাকেন টেম্পল মাউন্ট নামে। ১৯৬৭ সালে যখন ইসরাইল ঐ এলাকা দখল করে তখন শুধু মুসলিমরাই আল-আকসায় নামাজ পড়তে পারত। দিনের একটি নির্দিষ্ট সময় প্রার্থনার সুযোগ পেতেন ইহুদিরা।
