শুল্কায়ন ও খালাসে সময় বেশি লাগছে
কাজী শাহ্জাহান সবুজ, বেনাপোল (যশোর) সংবাদদাতা
বেনাপোল স্থলবন্দরে নেই কোন খাদ্যদ্রব্য পরীক্ষাগার! ফলে শুল্কায়ন ও খালাসে সময় বেশি লাগছে। যে কারণে আমদানিকারকরা হচ্ছেন ক্ষতিগ্রস্ত। খাদ্যদ্রব্য আমদানিতে বাধাগ্রস্ত হওয়ায় প্রভাব পড়ছে ভোক্তাদের ওপর। তাই এ বন্দরে বিএসটিআই ও বিসিএসআইআইয়ের শাখা স্থাপনের দাবি ব্যবসায়ীদের ।
জানা গেছে, বন্দরে আমদানি করা খাদ্যদ্রব্য পরীক্ষার জন্য বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডাস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) অথবা বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদের (বিসিএসআইআর) কোনো শাখা স্থাপন হয়নি। ফলে আমদানিকৃত খাদ্যদ্রব্যের মান পরীক্ষায় কালক্ষেপণ হচ্ছে। আর মালামাল খালাস নিতে না পারায় ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন আমদানিকারকরা। খাদ্যদ্রব্যের একটি চালান বেনাপোল বন্দরে এসে পৌঁছলে তার নমুনা সংগ্রহ করে বিসিএসআইআর বা বিএসটিআইয়ের ল্যাবে পাঠানোর নির্দেশ দেন কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। পরীক্ষার রিপোর্ট পেতে কমপক্ষে তিন সপ্তাহ সময় লাগে। নমুনা পরীক্ষাও বেশ ব্যয়বহুল।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, বেনাপোল বন্দর দিয়ে যেসব খাদ্য দ্রব্য আসে সেগুলোর নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকা বা খুলনাস্থ বিএসটিআই বা বিসিএসআইআরে পাঠাতে হয় পরীক্ষার জন্য। রিপোর্ট আসতে এক থেকে দেড় মাস সময় লেগে যায় এবং এটা অনেক বেশি ব্যয় সাপেক্ষ। এক্ষেত্রে পণ্যের গুণগত মান নষ্ট হয়।
বেনাপোল কাস্টম হাউজের কমিশনার মোহাম্মদ বেলাল হোসাইন চৌধুরী জানান, খাদ্যে নিরাপত্তার স্বার্থে আমদানিকৃত বিধি মোতাবেক এগুলো পরীক্ষণের জন্য বিএসটিআই, বিসিএসআইআর, বুয়েটসহ বিভিন্ন স্বীকৃত পরীক্ষণ সংস্থায় পাঠানো হয়। পরীক্ষণের জন্য অনেক দিন সময় লাগার কারণে পচনশীল পণ্যগুলোর গুণগত মান নষ্ট হয়। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে জানানো হয়েছে যাতে বিএসটিআই, বিসিএসআইআরের শাখা এখানে স্থাপন করা হয়।
