স্পোর্টস ডেস্ক
ইকুয়েডরের বিরুদ্ধে তরুণ খেলোয়াড়দের নৈপুণ্যে মন ভরে গেছে আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্ক্যালোনির। গত রবিবার স্পেনে অনুষ্ঠিত খেলাটিতে প্রীতি ম্যাচে ইকুয়েডরের বিপক্ষে ৬-১ গোলে জয়ী হয় দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
লিওনেল মেসি-সার্জিও আগুয়েরোদের ছাড়াই পরপর দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলল আর্জেন্টিনা। এর আগেরটিতে স্ক্যালোনির তরুণ দলটি জার্মানির বিপক্ষে পিছিয়ে পড়েও ড্র করতে সক্ষম হয়েছিল। তাও আবার জার্মানদের মাঠেই।
সঙ্গত কারণেই তরুণ খেলোয়াড়দের নৈপুণ্যের পাশাপাশি তাদের আত্মনিবেদন বেশি মন জয় করেছে স্ক্যালোনির। তিনি বলেন, ‘এই জার্সিটা গায়ে তোলার মাহাত্ম্য কী, এটা যেভাবে তারা বুঝতে পেরেছে সেটি আমাকে আরো বেশি তৃপ্তি দিচ্ছে।’ আর্জেন্টিনা গত রবিবার রাতে স্পেনের এলচেতে প্রথমার্ধেই তিন গোলে এগিয়ে গিয়েছিল। আগের ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া আলারিও গোলের খাতা খোলার পর জারিও এস্পিনোজার আত্মঘাতী গোল আর লেয়ান্দ্রো পারেদেসের পেনালটিতে ম্যাচের লাগাম হাতে নেয় আলবিসেলেস্তেরা। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ইকুয়েডর একটি গোল শোধ করলেও জার্মান পেজ্জেয়া, নিকোলাস ডোমিঙ্গুয়েজ, লুকাস ওক্যাম্পোসের লক্ষ্যভেদে বড়ো জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে আর্জেন্টিনা।
স্ক্যালোনি খেলা শেষে বলেন, ‘এটা একটা ইতিবাচক সফর। ছেলেদের কাছ থেকে যেমনটা ছেয়েছিলাম সেটা পেয়েছি আমরা। ছেলেদের আরো সময় দিতে চেয়েছিলাম আমরা। আর খেলোয়াড়দের কাছ থেকে সে সময়টার যথার্থতার প্রমাণ চেয়েছিলাম।’
স্ক্যালোনি ইকুয়েডরের বিপক্ষে দলের গোল উত্সবের পর এও দাবি করেন যে দল হিসেবে তারা অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠছেন। তিনি বলেন, ‘পাঁচ-ছয় জন খেলোয়াড় আছে যারা আমার দলের ভিত্তি। তারা নিজেদের প্রমাণ করেছে এবং আমাদের অনেক কিছু দিয়েছে। ফলে তাদের খুব বেশি খেলার প্রয়োজন নেই। এরপর আপনি জিততেও পারেন কিংবা হারতেও পারেন, কেননা সেরা দলটা সবসময়ই জেতে না। কেউই অপ্রতিরোধ্য নয় কিন্তু এটা এমন এক জাতীয় দল যাকে হারানো বেশ কঠিনই হয়ে উঠবে।’
