হতে চাইলে দন্ত চিকিত্সক

আপডেট : ১৫ অক্টোবর ২০১৯, ১৮:১৭

আরিফুর রহমান

 

দেশে বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজগুলো জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করছে। এর মধ্যে যেসব কলেজ ঈর্ষনীয় সাফল্য রেখে চলেছে মার্কস মেডিক্যাল কলেজ (এমআরএমসি) তাদের মধ্যে অন্যতম। মার্কস মেডিক্যাল কলেজ মার্কস গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান হিসেবে দক্ষ চিকিত্সক তৈরির প্রত্যাশায় প্রতিষ্ঠিত হয়। এবছর নবম ব্যাচে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। যারা গত ১১ অক্টোবর এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় কৃতকার্য হবে তারাই প্রথম বর্ষ এমবিবিএস কোর্সে ভর্তি হতে পারবে। ২০১১-১২ সেশনে প্রথম ব্যাচের ভর্তির মাধ্যমে এ প্রতিষ্ঠানের যাত্রা শুরু হয়।  

রাজধানী ঢাকার মিরপুর-১৪তে এ/৩ প্রধান সড়কের পাশে এ কলেজটি অবস্থিত। সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে দেশের সফল চিকিত্সক ও শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিত্ব প্রয়াত ব্রি. জে. (অব) অধ্যাপক ডা. মাসুদুর রহমান (এমআর) খান এ কলেজটি প্রতিষ্ঠা করেন দক্ষ চিকিত্সক গড়ার লক্ষ্য নিয়ে। তিনি দেশের প্রথম ইএনটি ও হেড-নেক মাইক্রো সার্জন হিসেবে সমধিক পরিচিত ছিলেন। প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ হিসেবে তিনি এ কলেজটির কার্যক্রম শুরু করেন।

এ প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করছেন আর্মড ফোর্সেস মেডিক্যাল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মে.জে. (অব) অধ্যাপক ডা. মো. নাসির উদ্দিন। উপাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্বে আছেন অধ্যাপক ডা. ইকবাল মাসুদ খান এবং সার্বিক তত্ত্বাবধায়ক ও প্রশাসনিক দায়িত্বে আছেন দ্য মার্কস গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) তারিক মাসুদ খান যিনি যুক্তরাষ্ট্রের খ্যাতনামা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে বিবিএ ও এমবিএ-তে উচ্চতর ডিগ্রিপ্রাপ্ত।

এ কলেজের শিক্ষাদানে নিয়োজিত আছেন অভিজ্ঞ ও দক্ষ শিক্ষকমন্ডলী যার নেতৃত্বে রয়েছেন মেজর জেনারেল (অব) অধ্যাপক ডা. মো. নাসির উদ্দিন। শিক্ষকমন্ডলীর মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক অধ্যাপক, সহযোগী, সহকারী অধ্যাপক এবং প্রভাষকবৃন্দ রয়েছেন যারা ছাত্র-শিক্ষকের সুসম্পর্ক বজায় রেখে পাঠদান করেন। তাঁরা সবাই দক্ষতার সাথে স্ব স্ব দায়িত্ব পালন করছেন।

মার্কস মেডিক্যাল কলেজের রয়েছে নিজস্ব ক্যাম্পাসে ডিজিটাল শ্রেণিকক্ষ, লেকচার গ্যালারি, কম্পিউটার ও পরীক্ষগার কক্ষ। এ কলেজের পাঠদান পদ্ধতি খুবই আধুনিক। শিক্ষকবৃন্দ নিয়মিত বিভিন্ন বিষয়ের পাঠদান করান। ছাত্রছাত্রীদের নিয়মিত শ্রেণিকক্ষে উপস্থিত থাকতে হয়। বিষয় ভিত্তিক পাঠদান শেষে শিক্ষার্থীদের সাপ্তাহিক, মাসিক ও টিউটোরিয়াল পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়। পরীক্ষায় খারাপ করলে অভিভাবকদের ডেকে তাদের উন্নতির জন্য পরামর্শ দেয়া হয়। যেহেতু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে সব কলেজের একসঙ্গে পরীক্ষা হয় তাই কোন শিক্ষর্থীকে পাস না করে পরবর্তী সেশনে উত্তীর্ণ হওয়ার সুযোগ নেই, পড়াশুনা করেই তাদের পাস করতে হয়। অসদুপায় অবলম্বনের কোনো সুযোগ এখানে নেই।

শিক্ষার্থীদের আবাসিক সমস্যার কথা বিবেচনা করে ছাত্র ও ছাত্রীদের জন্য ১২০-এর অধিক ধারণড়্গমতা সম্পন্ন পৃথক হোস্টেল এর সুব্যবস্থা রয়েছে। তাদের স্বল্প মূল্যে স্বাস্থ্যসম্মত খাবার পরিবেশন করা হয়। এছাড়া শিড়্গকদের জন্য রয়েছে শিক্ষক লাউঞ্জ এবং ছাত্রদের জন্য স্ন্যাকস্ সপ ও রেস্টুরেন্ট এর ব্যবস্থা। বিস্তারিত জানতে কল করতে পারেন ৯৮৩৪০৩১ নম্বরে।

অত্র প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ডা. মো. নাসির উদ্দিন এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমরা ছাত্র শিড়্গকের সম্পর্কের প্রতি যত্মবান। শিক্ষার্থীদের যেকোন সমস্যা সম্পর্কে আমরা সচেতন। তারা প্রয়োজন অনুযায়ী আমাদের সাঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে। আমরা তাদের সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করি।’

এ কলেজের সার্বিক কর্মকা্ল সম্পর্কে জনাব তারিক মাসুদ খান বলেন, ‘আমরা শিক্ষার্থীদের একুশ শতকের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার উপযোগী করে গড়ে তোলার জন্য করণীয় সবকিছু করছি। তাদের ইংরেজি ভাষায় দক্ষতার কথা বিবেচনা করে আমরা প্রথম বর্ষে শিক্ষার্থীদের জন্য ইংরেজি ভাষা শিক্ষা কোর্স, ৫ শতাংশ ফ্রি-কোটা, উপজাতীয় কোটাসহ সব কোটা পূরণ করে থাকি।’