প্রবাসী লেখক অভিজিত্ রায় হত্যা মামলায় সাক্ষ্য দিতে আগ্রহী নন বাদী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক অধ্যাপক অজয় রায়। গতকাল বুধবারসহ সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দুটি দিন ধার্য থাকলেও ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালে তিনি হাজির হননি। রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি পিপি জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী নিহত অভিজিতের বাবা অজয় রায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। কিন্তু তিনি ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে সাক্ষ্য দিতে অনীহা প্রকাশ করেছেন। এ প্রেক্ষিতে আগামী ২৮ অক্টোবর মামলার পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য করেছেন সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমান।
এ প্রসঙ্গে অধ্যাপক অজয় রায় বলেন, পুত্র হত্যার বিচার চাইতে গিয়ে সাক্ষ্য দেওয়া আমার পক্ষে সম্ভব না। সাক্ষ্য দেওয়া হবে বেদনাদায়ক, যা আমি সইতে পারব না। আমার কাছে তদন্ত কর্মকর্তা এসেছিলেন, প্রসিকিউটরও এসেছিলেন। আমি তাদের বলেছি যে আমি আদালতে যেতে পারব না। ওরা বলেছেন, ‘ঠিক আছে দেখছি’। পিপি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমি আশা করছি হয়তো মামলার বাদী পরবর্তী তারিখে আদালতে আসবেন।
২০১৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি রাতে একুশের বইমেলা থেকে বের হওয়ার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় অভিজিত্ রায়ের ওপর হামলা করা হয়। স্ত্রী বন্যা আহমদের সামনেই তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। হামলাকারীদের চাপাতির আঘাতে আঙুল হারান বন্যা। এ ঘটনায় পরদিনই অজয় রায় শাহবাগ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। গত পহেলা আগস্ট আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের নেতা সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল হক ওরফে জিয়াসহ ছয় জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে ট্রাইব্যুনাল।
