কর্মব্যস্ত জীবনে ঘড়ির কাঁটার সঙ্গে তাল মেলাতে না পেরে অনেক সময় নিয়মের ছন্দ পতন হয়। আর এর ব্যাপক প্রভাব পড়ে দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাসে। প্রাত্যহিক কাজ শেষ করে রাতের খাবার খেতে দেরি হয়ে যাচ্ছে প্রায় প্রতিদিনই। আর এতেই ঘটছে নানান স্বাস্থ্য বিপত্তি। বিশেষজ্ঞদের মতে, সন্ধ্যার পর উচ্চ ক্যালরিসম্পন্ন খাবার গ্রহণ না করাই উত্তম। কারণ এতে বাড়তি ক্যালরি খরচ করার মতো সুযোগ থাকে না। নিয়মিত দেরিতে খাওয়ার ফলে বাড়তি ক্যালরি শরীরে জমা হয়ে স্থূলতার কারণ হয়। এছাড়া দেরিতে খাবার গ্রহণের ফলে অ্যাসিডিটি ও ডিসপেপসিয়ার মতো সমস্যাও দেখা দেয়। কারণ ঘুমের সময় খাবার হজম প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায়। এছাড়া দেরিতে খাবার গ্রহণ এবং খাবার পরেই ঘুমিয়ে যাওয়ার ফলে শরীরের সার্কাডিয়ান রিদম ব্যাহত হয়। ফলে দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। তাই বিশেষজ্ঞরা রাতের ঘুমের অন্তত তিন ঘণ্টা পূর্বে খাবার গ্রহণ করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।
লেখক :ডা. তানজিয়া নাহার তিনা
