জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সম্রাট ও আরমানকে র্যাবে হস্তান্তর

আপডেট : ১৮ অক্টোবর ২০১৯, ০০:৩৮

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট ও সহসভাপতি এনামুল হক আরমানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য র্যাব-১ এর কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) কার্যালয় থেকে বিকাল ৫টার দিকে তাদেরকে র্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়। মঙ্গলবার শুনানি শেষে অস্ত্র ও মাদক আইনের দুই মামলায় সম্রাটকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিন করে মোট ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দেন ঢাকা মহানগর হাকিম মোহাম্মদ তোফাজ্জল হোসেন। এছাড়া তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সহসভাপতি এনামুল হক আরমানকে মাদক আইনের মামলায় পাঁচ দিনের রিমান্ড দেওয়া হয়। সম্রাটের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদক আইনের পৃথক দুই মামলায় ১০ দিন করে মোট ২০ দিন এবং আরমানকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়।

হস্তান্তরের বিষয়টি নিশ্চিত করে র্যাবের মিডিয়া উইংয়ের সহকারী পরিচালক মিজানুর রহমান বলেন, সম্রাট ও আরমানের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া দুই মামলার তদন্তভার র্যাবকে দেওয়া হয়েছে। এ কারণে প্রয়োজনীয় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সম্রাট ও আরমানকে র্যাব হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, ১৮ সেপ্টেম্বর ক্যাসিনো বিরোধী অভিযান শুরুর পর সম্রাটের নাম আসায় তাকে নিয়ে শুরু হয় নানা গুঞ্জন। ৬ অক্টোবর কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে সম্রাট ও তার সহযোগী আরমানকে গ্রেফতার করে র্যাব। সেদিন বিকালে সম্রাটকে সঙ্গে নিয়ে কাকরাইলের ভুঁইয়া ট্রেড সেন্টারে তার কার্যালয়ে অভিযান চালানো হয়। প্রায় পাঁচ ঘণ্টা অভিযান শেষে গুলিসহ একটি বিদেশি পিস্তল, ১১৬০টি ইয়াবা, ১৯ বোতল বিদেশি মদ, দুটি ক্যাঙ্গারুর চামড়া এবং নির্যাতন করার বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম পাওয়ার কথা জানানো হয় র্যাবের পক্ষ থেকে। পরে র্যাব-১ এর ডিএডি আবদুল খালেক বাদী হয়ে রমনা থানায় অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দুটি মামলা করেন। নিজ কার্যালয়ে পশুর চামড়া রাখার দায়ে তাত্ক্ষণিক তাকে ছয় মাসের জেল দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন র্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম।