গতকাল শুক্রবার আফগানিস্তানের একটি মসজিদে জুমার নামাজ চলাকালীন জোড়া বিস্ফোরণে কমপক্ষে ৬২ মুসল্লি নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে আরো শতাধিক। দেশটির নানগারহার প্রদেশের হাসকা মিনা জেলায় এই ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণে মসজিদের ছাদ উড়ে যায়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কোনো জঙ্গীগোষ্ঠী এই হামলার দায় স্বীকার করেনি। তবে ওই প্রদেশে জঙ্গিগোষ্ঠী তালেবান ও ইসলামিক স্টেট (আইএস) সক্রিয় রয়েছে।
বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ নতুন এক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এতে ১ হাজার ১১৭ জন নিহত হবার কথা উল্লেখ করে বলা হয়, গত জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশটিতে ‘নজিরবিহীন’ বেসামরিক লোক হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। দেশটিতে অস্থিতিশীলতার জন্য আইএস এবং তালেবানের মতো সরকারবিরোধী পক্ষকে দায়ী করে জাতিসংঘ বলছে, সরকার সমর্থক বাহিনীর কারণে হতাহতের সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা ও পুলিশ জানায়, হামলার পর ঘটনাস্থল রক্তের স্রোতে ভেসে যায়। বেঁচে যাওয়া মুসল্লিরা আতঙ্কে দিগ্বিদিক ছুটোছুটি শুরু করে। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। আহতদের মধ্যে অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ফলে মৃতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে পুলিশ আশঙ্কা করছে।
জানা গেছে, শুক্রবার ওই মসজিদে নামাজ পড়ার জন্য জড়ো হন স্থানীয় মুসল্লিরা। তখন হঠাত্ গগনবিদারী শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের তীব্রতায় মসজিদের ছাদ ছাড়াও দেয়ালও ধসে পড়ে। এতে গোটা এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। প্রথম বিস্ফোরণের রেশ কাটতে না কাটতেই দ্বিতীয় বিস্ফোরণ ঘটে। খবর বিবিসির।
