জগন্নাথপুর উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের কুশিয়ারা নদীর দক্ষিণপাড়ের বাসস্ট্যান্ড দখলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুলিতে প্রাণ হারিয়েছে এক শিশু শিক্ষার্থী। তার নাম ছাব্বির মিয়া (১২)। সে একটি হাফিজিয়া মাদ্রাসার ছাত্র। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় এ ঘটনায় মোজাম্মিল ও আকবর আলী নামে আহত অপর দুই জনকে সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ছাব্বির মিয়া হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার দিঘলবাক ইউনিয়নের কামারগাঁও নগরকান্দি গ্রামের আবদুল কাইয়ুমের ছেলে। সে দীর্ঘদিন ধরে তার মামা নোয়াগাঁও গ্রামের ইজাজ মিয়ার বাড়িতে থেকে স্থানীয় হাফিজি মাদ্রাসায় লেখাপড়া করত। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। খবর পেয়ে জগন্নাথপুর থানার ওসি মো. ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরীর নেতৃত্বে বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থলে অবস্থান নিয়েছেন।
এলাকাবাসী জানান, রানীগঞ্জ ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামের ইজাজ মিয়া ও একই ইউনিয়নের আলমপুর গ্রামের বাসিন্দা সাবেক পোস্ট মাস্টার আবু তাহের মজনু মিয়ার মধ্যে রানীগঞ্জ কুশিয়ারা নদীর দক্ষিণ পাড়ের বাসস্ট্যান্ড দখলকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এর জের ধরে গতকাল আসরের নামাজের পর বাস স্টেশন এলাকায় বৈঠক বসে। সন্ধ্যায় এ নিয়ে আলমপুর ও নোয়াগাঁও গ্রামের আবু তাহের মজনু ও ইজাজ মিয়ার পক্ষের লোকজনদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। প্রত্যেক্ষদর্শীরা জানান, মজনু মিয়ার পক্ষের লোকজনদের গুলিতে মাদ্রাসার ছাত্র ছাব্বির মিয়া নিহত এবং মোজাম্মেল ও আকবর আলী আহত হন। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
