খুলনায় ব্যাটারিচালিত রিকশা বন্ধে শৃঙ্খলা ফিরেছে সড়কে

আপডেট : ১৮ অক্টোবর ২০১৯, ২২:০৯

ব্যাটারিচালিত রিকশা বন্ধের পর খুলনা মহানগরীর সড়কগুলোতে শৃঙ্খলা ফিরে এসেছে। তবে অতিরিক্ত অর্থ উপার্জনের আশায় এখনো অনেক রিকশা মালিক তাদের রিকশা থেকে ব্যাটারি ও ইঞ্জিন অপসারণ না করে রিকশা চলাচল বন্ধ রেখেছেন। প্রয়োজনীয় রিকশার অভাবে নগরবাসী পড়েছে দুর্ভোগে।

এদিকে নগরী জুড়ে ৩৫০টি অবৈধ রিকশার চার্জিং পয়েন্টে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। চুরি করে বিদ্যুত্ ব্যবহার করে এসব পয়েন্টে এতদিন রিকশার ব্যাটারি চার্জ দেওয়া হতো। কেসিসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, খুলনা মহানগরীতে ব্যাটারিচালিত রিকশা আর চলতে দেওয়া হবে না। ব্যাটারি অপসারণের সময়ও আর বাড়ানো হবে না। তবে পায়ে প্যাডেলচালিত রিকশা চলাচলে কোনো বাধা নেই।

গত দুই বছর আগে হঠাত্ করেই খুলনা মহানগরীতে প্যাডেলচালিত রিকশা চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সেই স্থান দখল করে ব্যাটারিচালিত রিকশা। এতদিন ধরে কোনো বাধা ছাড়াই এই ব্যাটারিচালিত রিকশা অবাধে নগরীতে চলাচল করেছে। এইসব ব্যাটারিচালিত রিকশা ইজিবাইকের সঙ্গে পাল্লা দিতে গিয়ে প্রায় ঘটাত ছোটো-বড়ো দুর্ঘটনা। এছাড়া নগরীর ৩৫০টি অবৈধ রিকশার চার্জিং পয়েন্টে ব্যাটারি চার্জ দেওয়ার কারণে সরকারও মোটা অঙ্কের রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হয়েছে। ফলে কেসিসি ও ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ওজোপাডিকো) নগরী থেকে ব্যাটারিচালিত রিকশা বন্ধের উদ্যোগ গ্রহণ করে। ব্যাটারিচালিত রিকশা চালকদের তিন দফা সময় দিয়ে গত ১৫ অক্টোবর থেকে নগরীতে অবৈধ ব্যাটারিচালিত রিকশা চালানো বন্ধ করে দেওয়া হয়।

কেসিসির মেয়র তালুকদার আবদুল খালেক বলেন, সড়কে দুর্ঘটনা ও যানজট কমাতে কেসিসি ব্যাটারিচালিত রিকশা বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এরই মধ্যে রিকশা মালিক ও চালকরা এতে সমর্থন দিয়েছেন। নগরীর সড়ক ঝুঁকিমুক্ত করতে নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।