সদরঘাটে লঞ্চে বাবুর্চির বঁটির কোপে বাবুর্চি খুন

আপডেট : ১৯ অক্টোবর ২০১৯, ০০:২৪

ঢাকার সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে শুক্রবার সকালে এম ভি কীর্তনখোলা লঞ্চে এক বাবুর্চির বঁটির কোপে অপর এক বাবুর্চি মারা গেছেন।

জানা গেছে, রান্না নিয়ে দুই বাবুর্চির মধ্যে তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে বাবুর্চি রুবেল (২২) বাবুর্চি ইয়ামিনকে (২০) ঘুসি মারে। এ সময় ইয়ামিন তার হাতে থাকা বঁটি দিয়ে রুবেলকে কোপ দিলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তিনি মারা যান।

সদরঘাট নৌ থানার ওসি রেজাউল করিম ভুঁইয়া জানান, কীর্তনখোলা লঞ্চের নিচতলায় রান্নাঘরে বাবুর্চি রুবেল ও ইয়ামিন দুপুরে রান্না নিয়ে তর্কবিতর্কে জড়িয়ে পড়ে যা এক পর্যায়ে হাতাহাতিতে রূপ নেয়। এক পর্যায়ে ইয়ামিন তার হাতে থাকা বঁটি দিয়ে রুবেলের গলায় কোপ দিলে তিনি মারাত্মক জখম হন এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মারা যান। দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ওসি শাহ জামান জানান, পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মিটফোর্ড হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে এবং ঘাতক ইয়ামিনকে আটক করেছে। এ ব্যাপারে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা হয়েছে।

বিদ্যুত্স্পৃষ্ট হয়ে রাজমিস্ত্রীর মৃত্যু

কেরানীগঞ্জে বিদ্যুত্স্পৃষ্ট হয়ে মো. সবুজ (২২) নামে এক রাজমিস্ত্রী মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার বিকালে কেরানীগঞ্জের জিনজিরা রসুলপুর এলাকায় টিনের মসজিদের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

 কেরানীগঞ্জ মডেল থানার এস আই রফিকুল ইসলাম জানান, নিহত সবুজের গ্রামের বাড়ি রংপুর জেলার গঙ্গাচর থানার মোবাসিয়া গ্রামে। তার বাবার নাম মো. রফিকুল। তিনি কেরানীগঞ্জের মান্দাইল এলাকার জনৈক রিপনের বাড়িতে স্ত্রীসহ ভাড়া থাকতেন। গত কয়েক দিন ধরে রসুলপুরে অবস্থিত টিনের মসজিদে কাজ করছিলেন তিনি। বৃহস্পতিবার বিকালে মসজিদের তৃতীয় তলায় বাইরের অংশের প্লাস্টারের কাজ করছিলেন সবুজ। অসাবধানতাবশত তার ডান পা হঠাত্ পাশে থাকা বিদ্যুতের ২২০ ভোলটের মেইন তারের সঙ্গে লেগে যায়। সঙ্গে সঙ্গে তিন তলা থেকে নিচে পড়ে যান তিনি এবং তার মাথা ফেটে গিয়ে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়। আশেপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিত্সকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে আমি হাসপাতালে গিয়ে লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য মিটফোর্ড হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করি। যেহেতু মৃত্যুটি সবার সামনে দুর্ঘটনাবশত ঘটেছে, তাই নিহতের স্ত্রী পাখি বেগম ও স্বজনরা ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশটি নিহতের পরিবারকে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য আবেদন করেন। লাশটি ময়নাতদন্ত ছাড়া বুঝিয়ে দেওয়া যায় কি না এ ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নেবে।