২০১৪ সালের জুলাই মাসের কথা। জাতীয় পরিচয়পত্রের জন্য স্বাক্ষর সম্বলিত ছবি ও ফিঙ্গার প্রিন্ট দিয়ে এসেছিলাম। এখনো মনে পড়ে রমজান মাসে দুপুরের কাঠফাটা রোদে দীর্ঘ লাইন পেরিয়ে ইউনিয়ন পরিষদের নির্ধারিত ভেন্যুতে সেদিনের কথা। রৌদ্রতাপে কত কষ্টই না হয়েছিল! তখন সারা দেশেই কয়েক ধাপে ১৮ বছর বয়সী নাগরিকদের ছবি তোলা হয়। তারপর দীর্ঘ ৫ বছর ৩ মাস অতিক্রান্ত হলো, অথচ কাঙ্ক্ষিত জাতীয় পরিচয়পত্রের দেখা পেলাম না! মাঝখানে শুনেছি জাতীয় পরিচয়পত্রের বদলে স্মার্টকার্ড দেওয়া হবে। গত সাড়ে তিন বছর ধরে শুধু এই কথা শুনেই আসছি। যে জাতীয় পরিচয়পত্র তরুণরা ১৮ বছর বয়সে পাওয়ার দাবিদার, সেখানে আমরা ২৩ বছর বয়সেও পাইনি। কয়েক মাস ধরে শুনছি আমাদের নরসিংদীতে স্মার্টকার্ড বিতরণ শুরু হয়েছে। অথচ পলাশ থানার বাসিন্দা হয়ে এখনো স্মার্টকার্ড হাতে পাইনি। স্মার্টকার্ডের এমন আনস্মার্ট গতির ফলে আমাদের নানা অসুবিধায় পড়তে হচ্ছে। আজকাল ভর্তি কিংবা চাকরির আবেদন থেকে শুরু করে পাসপোর্ট-ভিসা প্রসেসিং, ব্যাংকের হিসাব খোলা, এমনকি মোবাইল ফোনের সিম ক্রয় করতেও জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া কাজ হয় না। তারপরও অতিপ্রয়োজনীয় এই জিনিসটি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের ব্যাপারটি নিয়ে এত দীর্ঘসূত্রতা কেন? দীর্ঘসূত্রতারও তো একটা সীমা থাকা চাই। আমাদের স্মার্টকার্ড আর কতদূর?
তৌহিদ বিল্লাহ
পলাশ, নরসিংদী
