উচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জনে দক্ষতার ঘাটতি কমাতে হবে

আপডেট : ২০ অক্টোবর ২০১৯, ২১:১৩

জাতীয় কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করছে এনএসডিএ

 

ইত্তেফাক রিপোর্ট

চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দক্ষতা উন্নয়নের কোনো বিকল্প নেই। কিন্তু দেশের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ খাতে দক্ষতার ঘাটতি আছে। এটি উচ্চ প্রবৃদ্ধির দেশ হওয়ার পথে একটি বড়ো অন্তরায়। যদিও প্রতি বছর ২.২ মিলিয়ন যুবক চাকরির বাজারে প্রবেশ করে, তাদের বেশির ভাগ বেকার থাকেন বা উপযুক্ত দক্ষতার অভাবে দেশে-বিদেশে স্বল্প আয়ের চাকরিতে নিযুক্ত হন। কারণ তারা চাকরির বাজারের চাহিদা পূরণ করতে ব্যর্থ হন। ২০২০ সালের মধ্যে দেশীয় দক্ষ শ্রম চাহিদা ২.৪১ মিলিয়ন হবে। এর মধ্যে কৃষিতে ২.৯ মিলিয়ন, নির্মাণ খাতে ৪.৪২ মিলিয়ন এবং তৈরি পোশাক খাতে ৫.৯৮ মিলিয়ন। পোশক খাতের পর কৃষি খাতে দক্ষতার ঘাটতি সবচেয়ে বেশি।

দক্ষতার এই ঘাটতি কমাতে গতকাল রবিবার একটি কর্মশালায় বক্তারা দক্ষতা বিকাশে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের ওপর জোর দেন। বিভিন্ন ক্ষেত্রে দক্ষতা বিশেষজ্ঞর পাশাপাশি উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা, বেসরকারি খাতের প্রতিনিধি, উন্নয়ন সহযোগীরা কর্মশালায় অংশ নেন এবং জাতীয় কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের বিষয়ে সুপারিশ করেন। জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (এনএসডিএ) রাজধানীর একটি হোটেলে ‘দক্ষতা বিকাশের জন্য জাতীয় কর্মপরিকল্পনা’ শীর্ষক দিনব্যাপী কর্মশালার আয়োজন করে। প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান প্রধান অতিথি হিসাবে কর্মশালার উদ্বোধন করেন। কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব  মো. নজিবুর রহমান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সেলিম রেজা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এনএসডিএর নির্বাহী  চেয়ারম্যান (সচিব) মো. ফারুক হোসেন।

সূচনা বক্তব্যে মো. ফারুক হোসেন বলেন, সারাদেশে সরকারি ও বেসরকারি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের দেওয়া জাতীয় দক্ষতা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোতে কমপ্ল্যায়েন্স নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আগামী পাঁচ বছরের জন্য দক্ষতা বিকাশের জাতীয় কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হচ্ছে। জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন-২০১৯ এর আওতাধীন এনএসডিএ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক চাকরির বাজারের চাহিদা মেটাতে উপযুক্তভাবে বাংলাদেশের দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি গ্রহণের জন্য জাতীয় দক্ষতার একটি অ্যাকশন পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে চলেছে।