গোপালপুর পৌরসভার রাস্তা যানজটমুক্ত করতে যা করণীয়

আপডেট : ২০ অক্টোবর ২০১৯, ২১:২৯

গোপালপুর বাসট্যান্ড থেকে তামাকপট্টি পর্যন্ত রাস্তা প্রতিদিন কোনো না কোনো ভাবে দীর্ঘতম যানজটের কবলে পড়ে। এই রাস্তার বিভিন্ন অংশ বিভিন্ন সময় বেদখল হয়ে থাকে সংলগ্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের জন্য। যেমন রড সিমেন্টের দোকানের মালমাল আনলোড করা হয় দিনের বেলায়। এটা রাতের বেলায় করা যেতে পারে। যেমনটি আমরা ঢাকা শহরে দেখতে পাই। গোপালপুর শহরের রাস্তায় দুধারে যেসব খাসজমি রয়েছে সেগুলো দখলমুক্ত করে রাস্তা সম্প্রসারণ করা যেতে পারে। অটোরিকশা-অটোভ্যানগুলো যত্রতত্র পার্কিং করায় রাস্তায় যানজট লেগেই থাকে। থানা মোড়ের পূর্বপাশে অটোরিকশা পার্কিং করার ফলে ঝাওয়াইল হেমনগর নলীন থেকে আসা যানগুলোর ডানে-বামে টার্ন নেওয়ার সময় যানজট লেগে যায়। এই একই সমস্যা পুরাতন পৌরসভার মোড়, নিবেন শাহ দোকানের উত্তর পাশের মোড় এবং তামাকপট্টি তথা সিএনজি  স্টেশনে। গোপালপুর-মধুপুর এবং গোপালপুর-ধনবাড়ী রাস্তায় সিএনজি স্টেশন স্থানান্তর করা যেতে পারে। গোপালপুর-নলীন ও ঝাওয়াইল সিএনজি স্টেশন স্থানান্তর করা যেতে পারে নদীর ওপার পশ্চিম পাশে যে কোনো জায়গায়। ধনবাড়ী  থেকে আসা ছোট মাঝারি যানগুলো বসুবাড়ী ডুবাইল, শালিয়াজানী পোড়াবাড়ীর দিকে গেলে অনায়াসে তজিবাড়ীর মোড় দিয়ে পুরাতন তেলের পাম্প হয়ে বেরিয়ে যেতে পারবে সহজেই। সাজানপুর, মধুপুরের দিকে যে সমস্ত যান পাকুয়া, ডুবাইল, কালিবাড়ী শালিয়াজানী ও পোড়াবাড়ী যাবে, সেগুলো ভুটিয়া মোড় থেকে দক্ষিণ ভুটিয়া হয়ে পাকুয়া স্কুল মোড় দিয়ে সহজেই বের হতে পারবে। এর ফলে গোপালপুর শহর যানজটমুক্ত হবে। কালিমন্দির থেকে গোহাটি যে সেতু রয়েছে,  সেটা ঝুঁকিপূর্ণ ও সংকীর্ণ। এটিকে পুনঃনির্মাণ ও প্রসারিত করা হলে মধুপর-ধনবাড়ী থেকে আগত ভেঙ্গুলাগামী নলিন পণ্যবাহী যানগুলো খুব সহজেই চলে যেতে পারে। এতে করে গোপালপুর বাজার ও থানাব্রিজের মোড়ের যানজট কমে যাবে অনেকাংশ। দূরপাল্লার গাড়ি সাধারণত দিনের বেলায় বেশিরভাগ সময়ই পুরাতন পৌরসভায় সামনে রাখার ফলে যানজট সৃষ্টি হয়। অবিলম্বে এ গাড়িগুলো শনিবার বাদে বাকি দিনগুলোতে গো-হাটে স্থাপনের জন্য পৌর কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। 

ডা. মো. জামিল রহমান

জামিল হোমিও কমপ্লেক্স, গোপালপুর, টাঙ্গাইল