সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্তের অগ্রগতি জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট। এ লক্ষ্যে মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে তলব করা হয়েছে। আগামী ৬ নভেম্বর তাকে মামলার কেস ডকেট (সিডি) নিয়ে হাজির থাকতে বলা হয়েছে। এক আসামির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ গতকাল রবিবার এই আদেশ দেন। একই সঙ্গে আসামি তানভীর রহমানের ক্ষেত্রে ঐ মামলার কার্যক্রম কেন বাতিল করা হবে না তা জানতে চাওয়া হয়েছে। চার সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্টদের এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকার পশ্চিম রাজাবাজারে নিজ বাসায় খুন হন সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার এবং মেহেরুন রুনি। পরদিন ভোরে তাদের ক্ষত-বিক্ষত লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে রুনির ভাই নওশের আলী রোমান বাদী হয়ে শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন। প্রথমে মামলার তদন্তভার যায় শেরেবাংলা নগর থানায়। পরে গোয়েন্দা পুলিশের ওপর। এরপর হাইকোর্টের আদেশে তদন্ত পায় র্যাব। এখন পর্যন্ত ৬৮ বার সময় নেওয়া হয়েছে আদালত থেকে। কিন্তু মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করতে পারেনি তদন্ত কর্মকর্তা। আগামী ১৪ নভেম্বর এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য তদন্ত কর্মকর্তাকে সময় দিয়েছেন মহানগর হাকিম দেবব্রত বিশ্বাস।
এ মামলায় ২০১২ সালের পহেলা অক্টোবর সন্দেহভাজন হিসেবে তানভীরকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ২০১৪ সালের ২ ডিসেম্বর তিনি হাইকোর্ট থেকে জামিন পান। প্রতি ধার্য তারিখে নিম্ন আদালতে হাজিরা দিতে হয় তাকে। এ অবস্থায় মামলার কার্যক্রম থেকে তাকে বাদ দেওয়ার জন্য হাইকোর্টে আবেদন জানান তিনি। তার পক্ষে আইনজীবী ফাওজিয়া করিম ফিরোজ ও রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সরওয়ার হোসেন বাপ্পী শুনানি করেন। শুনানি শেষে হাইকোর্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে তলব করে।
