ফৌজদারি মামলায় সরকারি কর্মচারীকে গ্রেফতারে অনুমতির বিধান কেন বাতিল নয় --------------------হাইকোর্ট

আপডেট : ২১ অক্টোবর ২০১৯, ২২:৩৬

ফৌজদারি মামলায় সরকারি কর্মচারীকে গ্রেফতারে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি সংক্রান্ত সরকারি চাকরি আইনের ৪১(১) ধারা কেন বেআইনি ও বাতিল ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট। চার সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্টদের এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি খোন্দকার মো. দিলীরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ গতকাল সোমবার এই আদেশ দেন।

রিট আবেদনকারী পক্ষের আইনজীবী মনজিল মোরসেদ বলেন, এ ধরনের সুবিধা দিয়ে ২০১৩ সালে দুদক আইনের ৩২ (ক) ধারা প্রণয়ন করা হয়। তখন সেটা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মামলা হয়েছিল। তখন ঐ ধারাটিকে বাতলি করে আদালত। সেই রায়কে উপেক্ষা করে সরকারি চাকরি আইনে একই ধারা যুক্ত করা হয়েছে। এটা বেআইনি। আদালত আমাদের শুনানি গ্রহণ করে রুল জারি করেছে।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ১৪ নভেম্বর সরকারি চাকরি আইন প্রণয়ন করা হয়। পহেলা অক্টোবর থেকে আইনটির কার্যকারিতা দেওয়া হয়। ঐ আইনের ৪১(১) ধারায় বলা হয়েছে, ‘কোনো সরকারি কর্মচারীর দায়িত্ব পালনের সহিত সম্পর্কিত অভিযোগে দায়েরকৃত ফৌজদারি মামলায় আদালত কর্তৃক অভিযোগপত্র গৃহীত হইবার পূর্বে, তাহাকে গ্রেপ্তার করিতে হইলে, সরকার বা নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি গ্রহণ করিতে হইবে।’ এই ধারার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ।