ব্রেক্সিট ইস্যু :বরিস জনসনের ভোটের প্রস্তাব স্পিকারের নাকচ

আপডেট : ২১ অক্টোবর ২০১৯, ২২:৪৬

ব্রেক্সিট চুক্তি করতে পার্লামেন্টে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের ভোটের প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছেন স্পিকার। গতকাল সোমবার ৩১ অক্টোবরের মধ্যে চুক্তি করতে ভোটাভুটি করতে চেয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী বরিস। কিন্তু তার সেই চেষ্টা আপাতত ভেস্তে গেল। এদিকে জার্মানের এক মন্ত্রী জানিয়েছেন, ব্রেক্সিট বিলম্বে সমর্থন দেবে ইইউ। খবর দ্য গার্ডিয়ান ও ডয়চেভেলের

হাউজ অব কমন্সের স্পিকার জন বারকো বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বরিসের ব্রেক্সিট চুক্তির                 জন্য তিনি পার্লামেন্টে ভোটাভুটির অনুমোদন দিতে পারছেন না। কারণ এই ভোট হবে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি এবং এটা বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি করবে। স্পিকার বলেন, বিতর্কিত ইস্যুতে মত দিলে কিছু মানুষ খুশি হবেন এবং কিছু অসন্তুষ্ট হবেন। আমি সেটাই করেছি যা একজন স্পিকার করেন। তাই আমি এ বিষয়ে আবার বিতর্কের সুযোগ দিতে চাই না।’

শনিবার ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ব্রেক্সিট চুক্তির দ্বিতীয় সংস্করণ অনুমোদন করাতে না পারলেও হাল ছাড়তে রাজি নন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। আইন মানতে বাধ্য হয়ে তাকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছে ব্রেক্সিটের সময়সীমা বাড়ানোর আনুষ্ঠানিক আবেদন করতে হয়েছে। তবে সেই আবেদন যাতে গুরুত্ব না পায় সেই লক্ষ্যে তিনি মরিয়া উদ্যোগ নিয়েছেন।

পার্লামেন্টে জনসনের বিরোধীরা একাধিক পালটা উদ্যোগ নেবার তোড়জোড় করছেন। প্রধানমন্ত্রীর উপর আস্থার অভাবের কারণে চুক্তিহীন ব্রেক্সিট বিরোধীরা বিচ্ছেদ চুক্তি আইনে পরিণত করে তবেই সেটির প্রতি সমর্থন জানাতে চান। কট্টর ব্রেক্সিটপন্থিরা সেইসব আইন প্রণয়নে বাধা দিয়ে ৩১ অক্টোবর চুক্তিহীন ব্রেক্সিট অবশ্যম্ভাবী করে তুলবে বলে তাদের মনে আশঙ্কা আছে। প্রধানমন্ত্রী জনসনও ৩১ অক্টোবর ব্রেক্সিট কার্যকর করতে অবিচল রয়েছেন। বিরোধি লেবার দল দ্বিতীয় গণভোটের শর্তে ব্রেক্সিট চুক্তি অনুমোদনের ইঙ্গিত দিয়েছে। তাদের মতে, এবার ব্রিটেনের ভোটারদের হাতে এমন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত তুলে দেওয়ার সময় এসে গেছে। উল্লেখ্য, হাজার হাজার মানুষ নতুন গণভোটের দাবি জানিয়েছেন।