আগামী সপ্তাহের যে কোনো দিন থেকে সনাতন পদ্ধতিতে বিজিএমইএ ভবন ভাঙার কাজ শুরু হবে। গতকাল সোমবার রাজউকের প্রধান প্রকৌশলী ও হাতিরঝিল প্রকল্পের পরিচালক রায়হানুল ফেরদৌস এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, শেষবারের মতো মালামাল সরিয়ে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
জানা যায়, ২ লাখ ৬৬ হাজার বর্গফুটের বিজিএমইএ ভবন ভাঙতে সময় দেওয়া হয়েছে সর্বোচ্চ ছয় মাস। ভবন ভাঙার কাজে আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হবে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দরদাতা ফোরস্টার এন্টারপ্রাইজকে ভাঙার কাজে নির্বাচিত করা হয়েছে। চট্টগ্রামের এই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান রাজউককে ১ কোটি ৫৫ লাখ ৭০ হাজার টাকা দেবে। উল্লেখ্য, ২০১১ সালের ৩ এপ্রিল হাইকোর্ট এক রায়ে বিজিএমইএর ভবনটিকে ‘হাতিরঝিল প্রকল্পে ক্যানসারের মতো’ উল্লেখ করে রায় প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে সেটি ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়। এর বিরুদ্ধে বিজিএমইএ লিভ টু আপিল করে যা ২০১৬ সালের ২ জুন আপিল বিভাগে খারিজ হয়। পরে ভবন ছাড়তে উচ্চ আদালতের কাছে সময় চায় বিজিএমইএ। প্রথমে ছয় মাস এবং পরে সাত মাস সময় দেওয়া হয়। পরে গত বছর আবার এক বছর সময় বাড়ানো হয়। সেই সময় শেষ হয় গত ১২ এপ্রিল। এরপর ১৬ এপ্রিল বিজিএমইএ ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেয় রাজউক। জলাশয়ে ভবনটি নির্মাণ করায় শুরু থেকেই এর বিরোধিতা করে আসছিলেন পরিবেশবাদীরা।
