লোকটাকে বিভিন্ন ভাষার হাসি দেখানো হলো,
কিছু কিছু মর্মান্তিক
কিছু কিছু দুর্লভ হাসিতেও কোনো কাজ হলো না!
নানা রঙের হাস্যরসে মেশানো সরবত খাওয়ানো হলো...
...দেয়া হলো বহু প্রকার বিনোদনের ইনজেকশন
তবু লোকটি হাসে না, হাসবে না।
বাঙালির হাসির গল্প, রাশিয়ার হাসির গল্প
কোনো কিছুতেই তার অনুভূতি জাগলো না,
লোকটি দণ্ডপ্রাপ্ত ফাঁসির আসামিও ছিলো না।
কৌতুক, কাতুকুতুর পরও সে শান্ত, স্বাভাবিক—
গোপালভাঁড়ের সূত্র, সুড়সুড়ি, সবকিছু বিফলে
গঠন করা হলো তদন্ত কমিটি,
ল্যুভর মিউজিয়াম থেকে আনা হলো মোনালিসা,
হাস্যকর এবং বিজ্ঞানের আবিষ্কৃত চেষ্টাগুলো ব্যর্থ!
হাসিগুলো আউট অব সার্ভিস, আউট অব লাইফ,
লোকটা হাসতে ভুলে গেছে, ভালোবাসতেও
সম্ভবত, হয়তো আর কোনোদিন সে কাঁদবেও না!
