অধ্যক্ষ, ট্রাস্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজ
বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ও উদ্যোক্তা বশির আহাম্মেদ ভূঁইয়া বলেন, ‘আলোকিত প্রজন্ম তথা জাতিগঠনে চাই নৈতিক, আদর্শ শিক্ষক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।’ উদাহরণস্বরূপ তিনি তার পরিচালিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান-ট্রাস্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজকে দৃষ্টান্ত আখ্যা দিয়ে বলেন, ‘অভিভাবকদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ ও সুসমন্বয়ে থাকা একদল দায়িত্বশীল, কর্তব্যনিষ্ঠ ও নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষকদের যুগোপযোগী পাঠদানের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে ব্যতিক্রমধর্মী এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। প্লে থেকে ১০ম শ্রেণির এই প্রতিষ্ঠানে আর্থিক অস্বচ্ছল আর মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের জন্য বৃত্তি প্রদানসহ আছে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা। বিশেষ করে প্রাথমিক স্তরের শিক্ষাটাকে বাস্তবতার নিরিখে নান্দনিক ব্যাপার হিসেবে তুলে ধরার প্রয়াস রেখেছি আমরা। যাতে ক্ষুদে শিক্ষার্থীও আগ্রহের সঙ্গে, স্বপ্রণোদিত হয়ে পড়ে ও স্কুলে যাওয়ার জন্য ভোরের আলো ফোটার অপেক্ষায় থাকে। আমাদের শিক্ষাদান পদ্ধতির বৈচিত্র্যের কারণেই শিক্ষা আনন্দময় এবং আকর্ষণীয় হয়।’ গতানুগতিক মুখস্থবিদ্যা, নোটসংস্কৃতি, পাঠ্যসূচি সংক্ষিপ্তকরণ বা সাজেশন নির্ভরশীলতা পরিহার করে শিক্ষার্থীদের সম্পূর্ণ সিলেবাস তথা মূল পাঠ্যপুস্তক সম্পর্কে দক্ষ করে তুলতে সর্বদা দৃঢ় প্রত্যয়ী আমরা। এক কথায় সৃজনশীল ও কর্মমুখী শিক্ষার মাধ্যমে বিশ্বায়নের উপযোগী, আলোকিত মানুষ ও দক্ষ জাতি গঠনের লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করছেন এই প্রতিষ্ঠানের একঝাঁক প্রশিক্ষিত ও অভিক্ষ শিক্ষক-কমকর্তারা। এখানে প্রচলিত শিক্ষা পদ্ধতি ছাড়াও মাল্টিমিডিয়া, কম্পিউটার, অডিও-ভিজ্যুয়ালসহ বিভিন্ন আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে শিক্ষা দেওয়া হয়। শ্রেণিকক্ষে পঠিত তত্ত্বীয় বিদ্যাকে আরো কার্যকর এবং বাস্তবজীবনে দক্ষভাবে কাজে লাগানোর প্রয়োজনে ছাত্রছাত্রীদের পরীক্ষাগারে হাতে-কলমে শিক্ষা দেওয়া হয়। যার মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীরা একবিংশ শতাব্দীর যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নিজেকে করে তোলে আত্মপ্রত্যয়ী, সাহসী ও আত্মবিশ্বাসে বলিয়ান।
ট্রাস্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজে একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি অনেক সহশিক্ষা কার্যক্রমও পরিচালিত হয়। এখানে রয়েছে সায়েন্স ক্লাব, ডিবেটিং ক্লাব, ছাত্র উপদেষ্টা ক্লাব, সাংস্কৃতিক ক্লাব, রাইটার্স ক্লাব ও আবৃত্তি সংঘ। ট্রাস্ট স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের জন্য প্রতিদিনের ক্লাসের পাশাপাশি রুটিন অনুযায়ী নিয়মিত সাংস্কৃতিক চর্চারও ব্যবস্থা রয়েছে। ছাত্রছাত্রীদের সুপ্ত প্রতিভা বিকশিত করার লক্ষ্যে এ কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক। দেশে অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্কুল পর্যায়ের সিলেবাস সম্পন্ন করার জন্য কোনো ধরনের পাঠ-পরিকল্পনা অনুসরণ করা হয় না। এক্ষেত্রে ট্রাস্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজ সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম। উত্তরার প্লট- ২৭, ৩৫ ও ৩৬, রোড ৫, সেক্টর ১৩-এ অবস্থিত এই প্রতিষ্ঠানটি গতানুগতিক মুখস্থবিদ্যা, নোটসংস্কৃতি, পাঠ্যসূচি সংক্ষিপ্তকরণ বা সাজেশন নির্ভরশীলতা পরিহার করে শিক্ষার্থীদের সম্পূর্ণ সিলেবাস সম্পর্কে দক্ষ করে তুলতে সর্বদা দৃঢ় প্রত্যয়ী। তিনি বলেন, ‘সৃজনশীল শিক্ষার মাধ্যমেই ভালো ফলাফল করছে আমাদের শিক্ষার্থীরা। সেটা যেমনি পিইসি ও জেএসসি পরীক্ষায়, তেমনি মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষাতেও। প্রতি পরীক্ষাতেই প্রায় শতভাগ পাসসহ রয়েছে জিপিএ-৫ প্রাপ্তির রেকর্ড ও ব্যতিক্রমধর্মী ঈর্ষণীয় ফলাফল।
