উম্মে সালমা তামান্না
গাজর আমাদের প্রায় সবারই প্রিয় একটি সবজি। অনেকেই গাজর খেতে পছন্দ করে। এটি অনেক সুস্বাদু ও পুষ্টিগুণসম্পন্ন একটি সবজি। এতে প্রচুর বিটাক্যারোটিন, ভিটামিন বি৬, ভিটামিন সি, ভিটামিন কে১, পটাশিয়াম, আঁশ এবং প্রচুর আ্য্যন্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে।
গাজরে রয়েছে অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা। গাজরে বিদ্যমান বিটা ক্যারোটিন সহজে ভিটামিন এতে রূপান্তরিত হয়। যা চোখের জ্যোতি বাড়াতে সাহায্য করে। বিশেষ করে বাচ্চাদের জন্য গাজর খুবই উপকারী। রাতকানা প্রতিরোধ করে। এছাড়াও গাজরে বিদ্যমান লুটেইন ও চোখের জন্য উপকারী। ভিটামিনকে সহজেই রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। গাজরে প্রচুর ভিটামিন সি থাকায় তা ত্বক ও চুলের উজ্জ্বলতা বাড়াতেও সাহায্য করে। প্রতিদিন খাবার তালিকায় গাজরের জুস রাখা যেতে পারে ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য। গাজরে যে পরিমাণ আঁশ থাকে তা রক্তের কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। পাশাপাশি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে। উচ্চ রক্তচাপ এবং হূদেরাগীদের জন্যও গাজর খুব উপকারী। এতে বিদ্যমান পটাশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
আ্য্যন্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ হওয়ায় গাজর ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়। এতে লাইকোপিন, পলি অ্যাসিটাইলিন, অ্যান্থোসায়ানিন এবং ক্যারোটিনয়েড রয়েছে যা প্রস্টেট, কোলন, পাকস্থলি, ব্রেস্ট এবং ফুসফুস ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে। লিউকেমিয়ার ঝুঁকিও কমায়।
ক্যালরি কম হওয়ায় ওজন কমাতেও সাহায্য করে থাকে এই গাজর। ডায়েট করার সময় সালাদ হিসেবে গাজর খাওয়া যেতে পারে।
লেখক : পুষ্টি বিশেষজ্ঞ
