সিঁধ কেটে ঘরে ঢুকে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা

আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০১৯, ১৫:২৮

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলায় সিঁধ কেটে ঘরে ঢুকে হাবিবুর রহমান (৩০) নামে এক কাঁচামাল ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। বুধবার ভোরে উপজেলার করগাঁও ইউনিয়নের ভাট্টা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত হাবিবুর রহমান ওই গ্রামের মৃত মতি মিয়ার পুত্র।

এদিকে নিহত হাবিবুরকে উদ্ধার করতে গিয়ে আরও ৩ জন মারাত্মকভাবে জখমের শিকার হয়েছেন। তারা হলেন, তোফা চান (৩০), জুনায়েদ (৫৫) ও নিহতের স্ত্রী। তাদেরকে উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে।  

আরও পড়ুন: যুক্তরাজ্যের আসেক্সে ৩৯ জনের মরদেহ উদ্ধার

জানা যায়, করগাঁও ইউনিয়নের কুখ্যাত গরু চোর হিসেবে পরিচিত আল আমিন ও তার সহযোগীরা রাতের আঁধারে সিঁধ কেটে হাবিবুর রহমানের ঘরে ঢুকে।এরপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে ঘুমন্ত অবস্থায় এলোপাথাড়ি কুপিয়ে মারাত্মকভাবে জখম করে। এ ঘটনা দেখে তার স্ত্রী চিৎকার শুরু করলে দুর্বৃত্তরা তাকেও কুপিয়ে মারাত্মকভাবে জখম করে। এরপর পাশের ঘর থেকে হাবিবুরকে উদ্ধার করতে এগিয়ে এলে বাহিরে অবস্থানরত দুর্বৃত্তরা তোফা চান ও জুনায়েদকে কুপিয়ে জখম করে। হাবিবুর রহমানকে উদ্ধার করে ভাগলপুর হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। আহত হাবিবুর রহমানের স্ত্রীকে ঢাকায় এবং তোফা চান ও জুনায়েদকে ভাগলপুর বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়।

ইউপি সদস্য জসিম উদ্দিন জানান, ৮-১০জনের একটি দল নানা রকম দেশিয় অস্ত্র নিয়ে সিঁধ কেটে হাবিবুরের ঘরে প্রবেশ করে। এসময় তাদের সহযোগীরা  বাহিরে পাহারা দেয়। 

করগাঁও ইউপি চেয়ারম্যান শরাফত লস্কর পারভেজ জানান, পূর্ব বিরোধের জের ধরে এ ঘটনা ঘটতে পারে। 

কটিয়াদী মডেল থানার ওসি এমএ জলিল বলেন, ‘লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে। মামলার প্রস্তুতি ও আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। 

ইত্তেফাক/এএএম