বিশ্রামাগারের শৌচাগারে তালা

আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০১৯, ২১:১৮

শায়েস্তাগঞ্জ রেল স্টেশন

 

দুর্ভোগে ট্রেনযাত্রীরা

 শায়েস্তাগঞ্জ (হবিগঞ্জ) সংবাদদাতা

শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে জংশনের প্রথম শ্রেণির বিশ্রামাগারের শৌচাগারটি সবসময় তালাবদ্ধ থাকে বলে অভিযোগ সাধারণ ট্রেনযাত্রীদের। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন হাজারো ট্রেনযাত্রী। কয়েক বছর আগে রেল স্টেশনটি পুনর্নির্মাণ করা হয়। ঐসময় গণশৌচাগারটি তৈরি করা হয়েছে। শায়েস্তাগঞ্জ রেল স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, উল্লিখিত বিশ্রামাগারে বিভিন্ন বয়সি নারী ও পুরুষ যাত্রীরা ট্রেনের অপেক্ষায় সেখানে অবস্থান করছেন।

শায়েস্তাগঞ্জ থেকে সিলেট নিয়মিত যাতায়াতকারী হবিগঞ্জের বাসিন্দা হারুনুর রশিদ বলেন, আমরা তো সবসময়ই এই টয়লেট বন্ধ দেখতে পাই। এ আবার নতুন কি? আন্তঃনগর পাহাড়িকা এক্সপ্রেসের অপেক্ষায় চট্টগ্রামগামী আরেক যাত্রী মুনিরা হাসান জানান, তিনি তিন ঘণ্টা যাবত্ ট্রেনের অপেক্ষায় এই বিশ্রামাগারে বসে আছেন। টয়লেটের প্রয়োজনে গিয়ে দেখেন বিশ্রামাগারের টয়লেটটি তালাবদ্ধ। জনৈক রেল কর্মচারীকে তালা খুলে দেওয়ার অনুরোধ জানালে, ঐ কর্মচারী যাত্রীকে বাইরে অবস্থিত গণশৌচাগারে যাওয়ার পরামর্শ দিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যান। একই সময়ে একই স্থানে অবস্থানরত ঢাকাগামী যাত্রী জয়নাল আবেদীন জানান, আন্তঃনগর জয়ন্তিকা এক্সপ্রেসে তিনি টাকা যাবেন, প্রাকৃতিক প্রয়োজনে বিশ্রামাগারের টয়লেটে গিয়ে দেখেন সেটি তালাবদ্ধ। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সঙ্গে থাকা মালপত্র রেখে প্ল্যাটফরমের বাইরে গিয়ে টয়লেট ব্যবহার করা কঠিন।

এ ব্যাপারে শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার সাইফুল ইসলাম জানান, স্টেশনটি পুনর্নির্মাণকালে টয়লেটগুলোতে হাই-কমোড স্থাপন করা হয়েছে, যা সকল শ্রেণির যাত্রীরা ব্যবহার করতে পারে না। এই টয়লেটগুলো শ্রেণিভেদে যাত্রীদের যথেচ্ছ ব্যবহারের ফলে সবসময় নোংরা পরিবেশ বিরাজ করে, তাই তালাবদ্ধ ব্যতীত উপায়  নেই। মাঝে মধ্যে তিনি নিজের থেকে টাকা খরচ করে টয়লেটগুলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করান বলে জানান। বিষয়টি তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট জানিয়েছেন বলেও জানান।