পদ্মা সেতু নির্মাণের পর অবশিষ্ট জমি ব্যবহারের জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে দেওয়া হয়েছে। সেখানে কম্পোজিট মিলিটারি ফার্ম করা হবে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই করেছেন সেতু কর্তৃপক্ষ। গতকাল বুধবার বিকাল সোয়া ৩টায় রাজধানীর বনানীর সেতু ভবনের সম্মেলন কক্ষে এ সমঝোতা স্মারক সই হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এছাড়া, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদসহ সেনাবাহিনী ও সেতু কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও এতে অংশ নেন। অনুষ্ঠানে সেতু কর্তৃপক্ষের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন সেতু কর্তৃপক্ষের পরিচালক (প্রশাসন) রেজাউল হায়দার ও সেনাবাহিনীর পক্ষে সই করেন সেনা সদর দপ্তরের এম অ্যান্ড কিউ পরিদপ্তরের (কিউএমজি শাখা) পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মামুন অর রশিদ।
সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে শক্তিশালী টিমওয়ার্কের ফসল পদ্মা সেতু। সেতু নির্মাণের পর যে ২ হাজার ১৫৮ একর জায়গা অবশিষ্ট থাকবে তা সুষ্ঠু ব্যবহারের জন্য সেনাবাহিনীকে দেওয়া হয়েছে। সেখানে কম্পোজিট মিলিটারি ফার্ম করবে সেনাবাহিনী। তিনি বলেন, এ প্রকল্পে ফার্ম স্থাপনের মাধ্যমে প্রতিদিন ৬০ হাজার লিটার দুধ ও বছরে ৫ লাখ ৪০ হাজার কেজি মাংস উত্পাদন করা হবে। এতে দেশে আমিষের ঘাটতি পূরণ হবে। সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ বলেন, সরকার সেনাবাহিনীর ওপর যে আস্থা ও বিশ্বাস রেখে দায়িত্ব দিয়েছে সেই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করব। সেনাপ্রধান হিসেবে এটা আপনাদের আশ্বস্ত করছি।
