দেশজুড়ে স্বস্তির হাওয়া

আপডেট : ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮, ২১:৩৩

জমজমাট নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হয়ে গেছে। কেটে গেছে নির্বাচনে সব দলের অংশগ্রহণ নিয়ে বিরাজমান শঙ্কাও। ফলে অনেকেই বলছেন, দেশজুড়ে এখন বইছে স্বস্তির হাওয়া। এ ব্যাপারে টেলিফোন ও ই-মেইলে প্রাপ্ত পাঠকের মতামত প্রকাশিত হলো

এখন সত্যিই দেশজুড়ে স্বস্তির হাওয়া বইছে। মনোনয়নের পূর্বে এক এক দলের কথা শুনে মনে হয়েছিল নির্বাচন বুঝি আর হবে না। যেভাবে একে অপরের প্রতি আক্রমণ শুরু করেছিল তা শুনে এবং দেখে সাধারণ মানুষ উদ্বেগ-উত্কণ্ঠায় ছিল। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে, সবাই নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যস্ত। কে বসবেন সিংহাসনে তাই নিয়ে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এটা একটা ভালো লক্ষণ। এভাবে স্বস্তিতে যদি নির্বাচন সম্পন্ন হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের মনেও আশার সঞ্চার হবে।

হাবিবুর রহমান

ভৈরব বাজার, কিশোরগঞ্জ

 

অনেকদিন পর সকল রাজনৈতিক দলের  অংশগ্রহণে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠান হতে যাচ্ছে। এটা দেশের জন্য, দেশের রাজনীতি এবং দেশের মানুষের জন্য একটা আনন্দের খবর। প্রতীক বরাদ্দের সাথে সাথেই সব দল তাদের নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করে দিয়েছে। নির্বাচন কমিশন এবং প্রশাসনকে এখন কড়া নজর রাখতে হবে যাতে  কেউ নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্ঘন না করে এবং কোন ধরনের অপ্রীতিকর অবস্থার সৃষ্টি না করে। নির্বাচন যেন আতঙ্কজনক নয়, বরং উত্সবমুখর হয় সেজন্য সকল দলকে ধৈর্য্য ও সহনশীলতা প্রদর্শন করতে হবে এবং আইনের প্রতি থাকতে হবে শ্রদ্ধাশীল।

মুহাম্মদ আবু তালহা

 লোক প্রশাসন বিভাগ, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়

নানারকমের জল্পনা-কল্পনা পেরিয়ে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে রোডম্যাপ ঘোষণা করা হয়। ইতোমধ্যে নির্বাচনের ৯৫ ভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এখন ব্যালট পেপার ছাপা হচ্ছে। নির্বাচন নিয়ে যেন কোন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা না ঘটে, এজন্য সিইসি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন। আমি এজন্য প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে সাধুবাদ জানাই।

মো. জামাল উদ্দীন (জীবন)

শিবরাম,কাঁঠালবাড়ী কুড়িগ্রাম সদর, কুড়িগ্রাম

নির্বাচনী প্রচারণা ইতোমধ্যে জমজমাটভাবে শুরু হলেও শঙ্কা শতভাগ কাটেনি। এমনকি লেভেল  প্লেয়িং ফিল্ডও তৈরি করতে পারেনি ইসি ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

 মো. মিজানুর রহমান

পাংগা, রাজারহাট, কুড়িগ্রাম

হ্যাঁ, দেশে এখন নির্বাচনী আমেজ চলছে। হাটে-বাজারে, চা-স্টলে, বাসে ও অফিস-আদালতে সবখানেই চলছে নির্বাচনী প্রচারণা ও আলাপ-আলোচনা। তবে বিভিন্ন জায়গায় ভাঙচুর ও হামলার ঘটনায় বিব্রত সাধারণ জনগণ। আর আমরা আশঙ্কায় আছি, নির্বাচনের পরের পরিস্থিতি কী হয় তা ভেবে।

কামাল হোসেন

জগন্ননাথদী, মধুখালী, ফরিদপুর 

নির্বাচনকে যদি একটা মুদ্রা মনে করা হয়, তাহলে সেই মুদ্রার একপিঠে স্বস্তি ও অপরপিঠে আতঙ্ক লেখা থাকে। তবে বর্তমান বাংলাদেশে সেই মুদ্রা হাওয়ায় ভাসছে। নির্বাচনকে সামনে রেখে সকল রাজনৈতিক দল প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত। এরই মধ্যে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণার সাথে পাল্লা দিয়ে সহিংস ঘটনাও ঘটতে শুরু করেছে যা মিডিয়ার কল্যাণে জনসম্মুখে আসছে। তাই শেষপর্যন্ত সহিংসতার আশঙ্কাও থেকেই যাচ্ছে।

 মো. আল-আমিন ইসলাম

হরিশ্বর, কাউনিয়া, রংপুর

সব দলের অংশগ্রহণের ফলে বিরাজমান শঙ্কা কেটে গেছে। স্বস্তি-অস্বস্তি মিলেই চলছে নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা। বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনাও ঘটছে। যা নিয়ে আতঙ্কে আছেন দেশবাসী। প্রচার-প্রচারণায় কেউ সুবিধা পাচ্ছে, কেউবা হয়রানির স্বীকার হচ্ছে এমন অভিযোগও উঠছে। তবে শেষ ভালো যার সব ভালো তার- এই প্রবাদের আলোকেই বলতে চাই, শেষপর্যন্ত নির্বাচন অনুষ্ঠান সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্যভাবে সম্পন্ন হবে এমন প্রত্যাশা রাখছি।

 মো. রাকিব ইসলাম

 দোলাপাড়া, ডোমার, নীলফামারী

 দেশজুড়ে এখন ভোটের হাওয়া। শহরে-নগরে-গ্রামে আসন্ন সংসদ নির্বাচন নিয়ে আলোচনা মানুষের মুখে মুখে। সব রাজনৈতিক দল নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে শুরু করায় অবাধ ও সুষ্ঠু ভোট হওয়ার আশা সৃষ্টি হয়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। সব শ্রেণি পেশার সাধারণ ভোটারদের একটি অভিন্ন প্রত্যাশা হলো- ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ যেন বজায় থাকে। শেষ পর্যন্ত যেন ভোটারদের রায়ের প্রতি সম্মান অটুট থাকে জনপ্রতিনিধিদের।

মিনহাজুল ইসলাম তারেক

মুন্সিপাড়া, পার্বতীপুর, দিনাজপুর

 গ্রামে এখন পুরো দস্তুর ধান কাটা ও মাড়াইয়ের মওসুম। অগ্রহায়ণ মাসে গ্রামবাংলার চিরন্তন দৃশ্য এটি। ক্ষেতে খামারে ব্যস্ত কৃষক। এই ব্যস্ততার মধ্যেও ভোটের হাওয়া লেগেছে তাদের গায়েও। এটাকে আমি ইতিবাচকভাবেই দেখতে চাই।

মোছা. বিলকিছ আক্তার

হরিশ্বর, কাউনিয়া, রংপুর

গণতন্ত্রমনা নাগরিকদের আশা দেশে সকল দলের অংশগ্রহণে একটি অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক । এবার সব রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছে । তাই রাজনীতির ময়দান তথা ভোটের ময়দানে পুরোপুরি না হলেও কিছুটা স্বস্তির হাওয়া বইছে । আশা করি ভোটের দিন পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকবে ।

সালেহা আফরিন বেবী

শিবগজ্ঞ, সিলেট

দেশজুড়ে বইছে নির্বাচনের স্বস্তিকর হওয়া। নির্বাচনের ফলে যদি জনগণের মতামতের সত্যিকার প্রতিফলন ঘটে তবেই এ পরিবেশ স্থায়ী হবে।

মো. আসির জোবায়ের

খান মজলিস, ধানমন্ডি-৪, ঢাকা

উত্সবমুখর পরিবেশে শুরু হয়ে গেছে নির্বাচনের প্রচার ও প্রচারণা। সাধারণ মানুষের মনে আনন্দের বন্যা বয়ে চলেছে। তাদের মনে আনন্দ এইজন্য যে, তারা সবাই স্বস্তিতে ভোট দিতে চান।

ডা. মো. জামিল রহমান

গোপালপুর, টাঙ্গাইল

নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ার আলামত দেখার পরও নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী পক্ষদের দ্বারা সুষ্ঠু এবং নির্বিঘ্নে  যে তা সম্পন্ন হবে তার নিশ্চয়তা নেই। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে তারা কখনো বিবৃতির মাধ্যমে, কখনো  বা নিজেদের মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে তার দায়ভার অন্যের ওপর চাপিয়ে দিতে চান। তাই নির্বাচন নির্বিঘ্ন করার দায়িত্ব শুধু আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, নির্বাচন কমিশন, সরকার বা সরকারি দলের নয়, যারা এখানে অংশগ্রহণ করছেন তাদের সবারই দায়িত্ব।

মাখরাজ খান

সাটুরিয়া, মানিকগঞ্জ

নির্বাচন নিয়ে যে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছিল এখন যেন অনেকটা কেটে গেছে। এখন মানুষ নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যস্ত। কাকে ভোট দেবে সেইসব কথা শুনা যাচ্ছে গ্রামে-গঞ্জে। সবাই স্বস্তিতে ভোটের কাজ করছেন।

নাহিদ আহসান

ভালুকা, ময়মনসিংহ

সারাদেশে সুস্থ ধারার রাজনীতি শুরু হয়েছে। এখন রাজনীতিতে সহিংসতা না থাকায় দেশজুড়ে স্বস্তি আর শান্তির সুবাতাস বইছে। জাতীয় নির্বাচনের আগে-পরে এমন স্বস্তিদায়ক পরিবেশই চাই।

ফরুক আহমেদ

 বাঘমারা, রাজশাহী

জমজমাট নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা শুরু হয়েছে। বইছে স্বস্তির হাওয়া। তবে আমরা মনে করি, সরকারের দায়িত্বে গেলে কে কী করবে তার যেমন প্রতিশ্রুতি থাকা দরকার, তেমনি বিরোধী দলে গেলে কে কী করবে ইশতিহারে সেই বিষয়টিও থাকা প্রয়োজন।

তারিন আক্তার

পশ্চিম নন্দীপাড়া, মাদারটেক, ঢাকা

দেশজুড়ে বইছে এখন স্বস্তির হাওয়া। এই হাওয়া বহুদিন পর এসেছে দেশে। বলা যায়, দক্ষিণা হাওয়া। দক্ষিণা বাতাস পরম শান্তির বাতাস আমরা জানি। তবে সব পক্ষকেই এই বাতাস ধরে রাখতে সহযোগিতা ও সহাবস্থানের মনোভাব নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে।

শিশির

পিলখানা, ঢাকা

নির্বাচন নিয়ে দেশে স্বস্তির হাওয়া বইছে ঠিক। অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হবে এটাও সত্যি। তবে সুষ্ঠ,ু নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য সুন্দর পরিবেশ এখনও যথাযথ হয়নি বলে মনে হয়। ৩০শে ডিসেম্বর নির্বাচন কোনভাবেই প্রশ্নবিদ্ধ না হোক এমনটাই আশা করি।

এ কে এম শাহজাহান

শিবপুর, নরসিংদী

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আর বেশী দিন নেই। সবদল অংশগ্রহণের ফলে এখন দেশে স্বস্তি ও শান্তির আবহাওয়া বইছে। প্রতীক বরাদ্দের পর প্রার্থীদের পক্ষে প্রচারযুদ্ধে ব্যস্ত সময় কাটছে কর্মী-সমর্থকদের। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের কোনো বিকল্প নেই।

এস কে মো. রমিজ উদ্দিন

আইনজীবী, কাজীপাড়া, মিরপুর, ঢাকা

অবশেষে কেটে গেছে নির্বাচনে সব দলের অংশগ্রহণ নিয়ে শঙ্কা। এখন ভোটারদের মন জয় করতে প্রার্থীরা ছুটছেন অলিতে গলিতে, মহল্লায়-মহল্লায়, বাড়িতে বাড়িতে। নানা প্রতিশ্রুতিও দিচ্ছেন। টানানো হচ্ছে সাদা-কালো পোস্টার। বিভিন্ন মিছিল-মিটিং করছেন প্রার্থী ও সমর্থকরা। তবে নির্বাচনের শেষ দিন পর্যন্ত সব দল তাদের আচরণবিধি মেনে সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখবেন এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

হোসনে আরা করিম নীলা

সদস্য, নারীর কথা, হাজারীবাগ, ঢাকা

প্রতীক পেয়েই ভোটযুদ্ধে নেমে পড়েছেন প্রার্থী ও সমর্থকরা। তবে সব দলকে নির্বাচনকালীন ধৈর্য্য, সহনশীলতা ও সহমর্মিতার পরিচয় দিতে হবে— এটাই প্রত্যাশা।

মো. ইসকান্দার আলী সাগর

কনকর্ড টাওয়ার, শান্তিনগর, ঢাকা

সবদলের অংশগ্রহণে যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এটাই ছিল জনগণের প্রত্যাশা। তা পূরণ হওয়ার কারণে দেশজুড়ে এখন শান্তির হাওয়া বইছে। জনমনে শঙ্কাও দূর হয়েছে। এই নির্বাচন দিয়েই গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু হোক। অপরাজনীতি দূর হোক এবং প্রতিটি দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে জনগণের রায় মেনে নিবেন এটাই জাতি আশা করে।

শাহ মোহাম্মদ হেলালউদ্দিন হিরো

কালিহাতি, টাঙ্গাইল

প্রতীক নিয়ে সবদল নির্বাচনের মাঠে নেমেছে। চলছে মিটিং। ভোটারদের মাঝে বিতরণ করা হচ্ছে পোস্টার-লিফলেট। বিজয় ছিনিয়ে আনতে মরিয়া এখন প্রার্থীরা। চেষ্টা চালানো হচ্ছে ভোটারদের মন জয়ের। তবে যাই হোক, সব দলকে তাদের নির্বাচনী আচরণবিধির ওপর দৃষ্টি দেওয়া প্রয়োজন।

সালমা আফরোজ

ফার্মগেট, ঢাকা

একাদশ নির্বাচনে ভোট প্রয়োগ করার জন্য মানুষ অধীর আগ্রহে বসে আছে। বিগত যত নির্বাচন হয়েছে তার চেয়ে এই নির্বাচন অনেক গুরুত্বপূর্ণ। দেশের মানুষের চাওয়া পাওয়া পূর্বের চেয়ে অনেক বেশি। এজন্য যে দলই ক্ষমতায় আসুক তাদের চাপের মুখে রাখতে হবে। সেজন্য একটি গ্রহণযোগ্য ও সুষ্ঠু নির্বাচন প্রয়োজন।

মো. আমজাদ হোসেন আলতাফ

শুরু হয়েছে উত্সবমুখর ভোটের আমেজ। আমরা মনে করি নির্বাচনের আগে সারাদেশে এমন পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে যাতে সাধারণ মানুষ নিশ্চিন্তে, নিরাপদে ও স্বাধীনভাবে তাদের ইচ্ছা অনুযায়ী ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন। ভোটের আগে, ভোটের দিন কিংবা তার পরে কোনরূপ সহিংস ঘটনা যাতে না হয় সে বিষয়ে সজাগ দৃষ্টি  দিতে হবে।

জাহাঙ্গীর খান বাবু

মুন্সীগঞ্জ