বৃহত্তর ফরিদপুর অঞ্চল নিয়ে ‘পদ্মা বিভাগ’ নামে দেশে আরেকটি নতুন প্রশাসনিক বিভাগ হতে যাচ্ছে। অনেকেই বলছেন, উন্নয়নের জন্য এটি একটি ইতিবাচক উদ্যোগ। এই ব্যাপারে টেলিফোন ও ইমেইলে প্রাপ্ত
পাঠকের অভিমত তুলে ধরা হলো
ঢাকা বিভাগ মানেই উন্নয়ন। তবে প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের ফলে কেন্দ্র বা রাজধানী নির্ভরতা কমালে ভালো হয় বলে একজন অতি সাধারণ মানুষ হিসেবে আমি মনে করি। প্রতিটি বিভাগে কিছু প্রতিযোগিতা থাকা দরকার। যে বিভাগ যে ক্ষেত্রে ভালো করবে তার পুরুস্কার স্বরূপ ঐ বিভাগে তার উন্নয়নে বিশেষ নজর দিতে হবে। একই ক্ষেত্রে সমবণ্টন ভালো নয়। শিল্পে যে বিভাগ ভালো ঐ বিভাগে শিল্প, কৃষিতে যে বিভাগ ভালো সেখানে কৃষি ও আইটিতে যে বিভাগ ভালো সেখানে আইটিতে অধিক বরাদ্দ রাখা দরকার বলে আমি মনে করি।
মো. ফিরোজ আহম্মেদ,
মিরপুর সেকশন-৬, ঢাকা
নতুন বিভাগ উন্নয়নের জন্য ইতিবাচক বলেই আমার মনে হয়। কিন্তু পুরাতন বিভাগীয় শহরগুলোর দিকে একটু নজর দেওয়া উচিত নগর পিতাদের। নিজস্ব সিটি করপোরেশনে যাতে যথাযথ নাগরিক সেবা পৌঁছানো যায়, সেদিকে খেয়াল রাখলেই সরকারের এই উদ্যোগ জনগণের জন্য সুফল বয়ে আনবে। সিটি করপোরেশনের নাগরিকরা যাতে প্রকৃতপক্ষে সিটির মতো সুবিধা পান, তা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব।
ফাতিন ইসরাক (আবির)
রংপুর
বিভাগ থাকা আর না থাকার বিতর্ক সব শাসনামলেই ছিল। বিভাগ মূলত একটি তদারকি স্তর। সাধারণ প্রশাসনে বিভাগীয় কমিশনার তদারকির কাজ ছাড়াও ভূমি ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত কিছু আপিল নিষ্পত্তি করে থাকেন। তবে তদারকি স্তর হিসেবে বিভাগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিভাগীয় পর্যায়ের অভিজ্ঞ কর্মকর্তারা জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের কাজ পরিদর্শন ও পর্যালোচনা করে অধিকতর উন্নতি বিধানের জন্য নির্দেশনা দিয়ে থাকেন। মূল্যায়ন করেন তাদের কার্যক্রম। তারা জেলা ও জাতীয় পর্যায়ের সঙ্গে ক্ষেত্রবিশেষে সংযোগমাধ্যম হিসেবে কাজ করেন। যদি ছোটো পরিসরে নতুন বিভাগ করা হয় তাহলে সেসব অঞ্চলের সমস্যা দ্রুত সমাধান হয়। জনগণের জীবন-মানের অনেক উন্নতি হয়। আর দেখা যায়, নতুন বিভাগের দাবির সঙ্গে সেই অঞ্চলগুলোর জনগণের আবেগ-অনুভূতি জড়িয়ে থাকে। তাই সিদ্ধান্ত নিতে সরকারকে যথেষ্ট সতর্ক থাকতে হবে।
মাহি
সাভার, ঢাকা
ফরিদপুরকে সদর দপ্তর করে ‘পদ্মা’ নামে দেশের নবম বিভাগ হতে যাচ্ছে। এটি সত্যি প্রশংসনীয় পদক্ষেপ। এই বিভাগ মূলত ফরিদপুর অঞ্চলের মানুষকে কোনো কাজের জন্য রাজধানী ঢাকায় আসার ভোগান্তি থেকে মুক্তি দেবে অনেকাংশে। তাদের ছোটো-বড়ো সকল সমস্যার সমাধান তারা দ্রুত পাবে নিজস্ব বিভাগের কারণে। তাদের জীবনযাত্রার মানও উন্নত হবে। বাস্তবতা বলে একটি দেশের বিভাগের সংখ্যা বৃদ্ধি করার ফলে সকল ধরনের সমস্যা সমাধান করা অনেক সহজ হয়ে যায়। তাই এর ইতিবাচক প্রভাবই বেশি দেখা দিবে।
সাবরিনা সুলতানা
ন্যাশনাল কলেজ অব হোম ইকোনমিক্স, ঢাকা বিশ্ববিদ্যাল
দেশে নতুন নতুন বিভাগ, জেলা, উপজেলা সৃষ্টির ফলে আমজনতার কোনো লাভ হয়েছে বলে ইতিহাসে লিপিবদ্ধ নেই। রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের ভোট ব্যাংক বাড়াতে, মন্ত্রী-এমপিরা নিজেদের প্রভাব প্রতিপত্তি বাড়াতে এবং আমলারা লোভনীয় পোস্টিং পেতে যোগসাজশে এই আন্দোলনগুলোতে ধোঁয়া দেন বলে জনশ্রুতি আছে। বর্তমান ডিজিটালের যুগে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী পর্যন্ত নিজ কার্যালয়ে বসে যে কোনো উদ্বোধনী অনুষ্ঠান থেকে ফাইলিং কাজ সম্পন্ন করছেন সেখানে নতুন নতুন প্রশাসনিক জোন তৈরির কোনো প্রয়োজন আছে বলে অভিজ্ঞমহল মনে করেন না। আমরা মনে করি নতুন নতুন প্রশাসনিক জোন নয় বরং নতুন নতুন শিল্পাঞ্চল, এক্সপোর্টিং জোন, কর্মসংস্থান জোন গঠনে রাষ্ট্রের নজর দেওয়া উচিত।
ভুঁইয়া কিসলু বেগমগঞ্জী
মাইশা এফ হাইজ, ঢাকা
আমাদের দেশের জনসংখ্যা যেমন বৃদ্ধি পেয়েছে, তেমনি উন্নত হয়েছে যোগাযোগব্যবস্থা। এখন অতি দ্রুত এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাওয়া যায়। তদুপরি তথ্যপ্রযুক্তির সম্প্রসারণ শুধু দেশ নয়, গোটা বিশ্বকেই ক্রমান্বয়ে ছোটো করে ফেলছে। ঢাকার সচিবালয় থেকে কোনো একটি পরিপত্র গ্রুপ মেইলে কয়েক মিনিটে সব জেলা প্রশাসককে পাঠানো যায়। অনেক ক্ষেত্রেই সম্ভব সেদিনই তাদের কাছ থেকে জবাব পাওয়া। ভিডিও কনফারেন্স এখন জেলা ও রাজধানীর মধ্যে মতবিনিময়ের জন্য ব্যবহূত হতে শুরু করেছে। ক্রমান্বয়ে ঘটবে তথ্যপ্রযুক্তির আরো প্রসার। তা সত্ত্বেও স্থানীয় স্তরে, বিশেষ করে জেলা ও উপজেলায় প্রয়োজন হবে প্রশাসনের কার্যকর উপস্থিতি। তেমনি তাদের তদারক ও মূল্যায়নের জন্য বিভাগীয় স্তরও অপরিহার্য। তবে নতুন বিভাগ করার প্রস্তাব সতর্কতার সঙ্গে বিবেচনা করাও জরুরি বলে আমরা মনে করি।
মেনহাজুল ইসলাম তারেক
মুন্সিপাড়া, পার্বতীপুর, দিনাজপুর
আমাদের মহকুমা স্তরটি ভেঙে দেওয়ায় জেলার সংখ্যা বেড়েছে। জেলাগুলোর কার্যক্রমের সমন্বয় বিধানের জন্য বিভাগের প্রয়োজনীয়তাও নতুনভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে এরই মধ্যে আটটি বিভাগ হয়ে গেছে। আরো হওয়ার প্রয়োজন থাকতে পারে। এর সমর্থনে বলা হয়, জেলার সংখ্যা বৃদ্ধি ও সরকারের কাজকর্মের সঙ্গে জনগণের সম্পৃক্ততা অনেক গুণ বৃদ্ধি পাওয়ায় বিভিন্ন প্রশাসনিক স্তরের ইউনিটগুলোর সংখ্যা বৃদ্ধি যৌক্তিক। উপজেলা ও জেলার প্রশ্নে জনসম্পৃক্ততার বিষয়টি থাকে; বিভাগের ক্ষেত্রে নয়। আর জেলা করতে গিয়েও কিছু কিছু ক্ষেত্রে সুবিবেচনার পরিচয় দেওয়া হয়নি বললে ভুল হবে না। রাজনীতির বাইরে থেকে আসা শাসকেরা বেসামরিক ক্ষমতার ভিত সম্প্রসারণের লক্ষ্যে এগুলো করেছেন। কেউ করেছেন দুই-তিনটি থানা নিয়ে মহকুমা। এর পরের জন করলেন সেগুলোকে জেলা। প্রশাসনকে আমরা জনগণের দোরগোড়ায় নেওয়ার নামে কিছু ক্ষেত্রে যুক্তি ও প্রয়োজনীয়তাকে উপেক্ষা করেছি। জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং প্রশাসনের সঙ্গে জনগণের অধিকতর সংশ্লিষ্টতা নিয়ে প্রশাসনিক ইউনিটের সংখ্যা বৃদ্ধির যে দাবি, তা যথেষ্ট বিচার-বিশ্লেষণ করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে বলেই মনে করি।
মোছা. বিলকিছ আক্তার
সরকারি ম্যাটস, টাঙ্গাইল
উন্নয়ন সুযোগ ও সমতার বিষয় বিবেচনায় নিলে এটা নিঃসন্দেহে যুগোপযোগী উদ্যোগ। তবে বিভাগ থাকা আর না থাকার বিতর্ক সব শাসনামলেই ছিল। বিভাগ মূলত একটি তদারকি স্তর। তদারকি ঠিকমতো হচ্ছে কিনা সে ব্যাপারে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে।
সাকিয়া সুলতানা
ঢাকা
নতুন বিভাগ হওয়া মানে ঐ অঞ্চলের উন্নয়নের জন্য এক ধাপ এগিয়ে যাওয়া। নতুন বিভাগ মানে ঐ এলাকায় মানুষের জীবন মান উন্নয়নে তাদের মধ্যে আশার সঞ্চার হওয়া। মানুষের যোগাযোগ, প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প-কারখানার উন্নয়ন ইত্যাদির কর্মকাণ্ড সহজতর হয় নতুন বিভাগ সৃষ্টির মাধ্যমে। তাই আমি মনে করি এটি একটি মাইলফলক হিসেবে ঐ এলাকার জনমনে উদ্দীপনা সৃষ্টি করবে।
মো. আবুল কালাম আজাদ
সরদারপাড়া, মুন্সীগঞ্জ
আরো একটি নতুন বিভাগ হতে যাচ্ছে সংবাদটি শুনে বেশ আনন্দ লাগছে। কেন না ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণে এই ধরনের পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হওয়া খুবই প্রয়োজন। আমাদের দেশে যতগুলো বিভাগ গঠিত হয়েছে এর মধ্যে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে আমরা আশা করছি। তা ছাড়া স্থানীয় পর্যায়ে উন্নয়নের ক্ষেত্রে বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে প্রতিযোগিতার সৃষ্টি হবে বলে আমাদের বিশ্বাস।
আলহাজ মো. হাফিজুল ইসলাম চৌধুরী হিফজু
৭৩ হাউজিংস্টেট, রাজশাহী
একটি নতুন বিভাগ মানে একটি নতুন সকাল, একটি নতুন বিভাগ মানে একটি নতুন সূর্য। একটি নতুন বিভাগ মানেই একটি নতুন দিগন্তের সূচনা। নতুন বিভাগ মানেই নতুন স্বপ্ন তৈরি। নতুন বিভাগ হচ্ছে জেনে খুবই আনন্দিত হলাম। এই নতুন বিভাগ উক্ত অঞ্চলসমূহের মানুষের আশা-আকাঙ্খা পূরণ করবে এমনটি আশা আমাদের সকলের।
মো. খায়রুল ইসলাম (ফুল)
আরাপপুর ঝিনাইদহ
আরেকটি বিভাগ করার উদ্যোগ অবশ্যই উত্সাহব্যঞ্জক, সাধুবাদ পাওয়ার যোগ্য। তবে সবার আগে এই বিভাগের যাতায়াত ব্যবস্থা, শিল্পকারখানা এবং কর্মসংস্থানের পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
মাখরাজ খান
সাটুরিয়া, মানিকগঞ্জ
বৃহত্তর ফরিদপুর নিয়ে একটি বিভাগ হলে ভালো হয়, এটা যেমন গর্ব ও গৌরবের, তেমনি দেশের রাজধানী ঢাকার সঙ্গে আছি আরো বেশি গর্ব ও মর্যাদার বিষয়। আলাদা বিভাগ হলেও অবহেলিত ফরিদপুর হেডকোয়ার্টার হবে কি না সন্দেহ। আর পদ্মা সেতু হয়ে গেলে ঢাকার সঙ্গে দূরত্বও কমে যাবে। ফলে কার্যাদি সম্পন্ন করে দিন দিন ফিরাও সম্ভব হবে। তাই আমার মতে, আলাদা বিভাগ মানেই রাজধানীর সঙ্গে জড়িত সব সুবিধা থেকে বঞ্চিত হওয়া। এমনকি একে ইস্যু করে জিনিসপত্রেরও দরপতন ঘটতে পারে।
উবাদুল্লাহ
তারানগরী, দুধনই, ধোবাউড়া, ময়মনসিংহ
বর্তমান সরকার চতুর্থ মেয়াদে দেশ পরিচালনায় দায়িত্বে এসে সারাদেশে উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রেখেছেন। পদ্মা সেতু, উড়াল সেতু, মেট্রো রেলপথ, কর্ণফুলী চ্যানেল, মহাকাশে সাটেলাইট উেক্ষপণসহ নানা উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছেন। তারই ধারাবাহিকতায় সরকার নতুনভাবে সিটি করপোরেশন, পৌরসভাসহ বেশ কয়েকটি থানা তৈরির উদ্যোগ নিয়েছেন। সিটি করপোরেশন, পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হলে সেখানকার উন্নয়ন হবে, উপকৃত হবেন জনগণ। নতুন থানা হলে কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে, ঐ এলাকায় আইনশৃঙ্খলার অবনতি হবে না। সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সারাদেশের মানুষ যেমন খুশি, তেমনি উন্নয়ন কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখাটাও প্রত্যাশা করছেন।
ফারুক আহমেদ
বাঘমারা, রাজশাহী
আরো একটি নতুন বিভাগ হতে যাচ্ছে—সত্যিই আনন্দের বিষয়। গত নির্বাচনের আগে ফরিদপুর গিয়ে জনসভায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দিয়ে ছিলেন যে, বৃহত্তর ফরিদপুর নিয়ে গঠিত বিভাগটির নাম হবে ‘পদ্মা’। নতুন বিভাগ হচ্ছে ভালো কথা। তবে বিভাগ বা সিটি করপোরেশন বাস্তবায়নের পূর্বেই যেন একশ্রেণির ব্যবসায়ী সবকিছুর দাম আরেক দফা না বাড়ান। এমনটাই প্রত্যাশা সাধারণ মানুষের।
শিশির
পিলখানা, ঢাকা
ফরিদপুরকে সদরদপ্তর করে ‘পদ্মা’ নামে দেশের নবম বিভাগ হতে যাচ্ছে। একই সঙ্গে ফরিদপুর সিটি করপোরেশন করার কাজ শুরু করতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সমপ্রতি তার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত নিকারের সভায় এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এতে করে উক্ত অঞ্চলসমূহে ব্যবসা-বাণিজ্য ও কর্মসংস্থানের উদ্যোগ বাড়বে।
মোহাম্মদ মেজবাহউদ্দিন সেলিম
ইব্রাহিমপুর ক্যান্টনমেন্ট, ঢাকা
দেশের নবম বিভাগ পদ্মা ও সিটি করপোরেশন হবে ফরিদপুর। অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও আশাব্যঞ্জক বিষয় এটি। বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের রোল মডেল। সুতরাং দেশ এগিয়ে যাক, উন্নত থেকে উন্নততর হয়ে উঠুক দেশের অবকাঠামো—এটাই সবার প্রত্যাশা।
রাসেল আহমেদ
সাংবাদিক, মুগদা, ঢাকা
পদ্মা সেতুর দুই পাড়ে পদ্মা উত্তর ও পদ্মা দক্ষিণ নামে দুটি নতুন থানা আছে। এছাড়া চূয়াডাঙ্গা ও দর্শনাকে থানায় উন্নীত করা, ঠাকুরগাঁও সদর থানাকে বিভক্ত করে ভূল্লী নামে নতুন থানা স্থাপন করা, নোয়াখালীর হাতিরয়ার ভাসানচর নতুন থানা প্রতিষ্ঠা করা এবং বাগেরহাটের মোংলা পোর্ট-পৌরসভা ও কালিয়াকৈর পৌরসভা সীমানা সম্প্রসারণের প্রস্তাবও দিয়েছে ‘নিকার’। এসব দ্রুত বাস্তবায়িত হোক।
অ্যাড. এস কে মো. রমিজউদ্দিন
আয়কর আইনজীবী, পুরানা পল্টন ঢাকা
নতুন বিভাগ মানেই নতুন কিছু পাওয়া। যে কোনো কিছু নতুন সৃষ্টি হওয়া মানেই উন্নয়নের একধাপ এগিয়ে যাওয়া। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর কন্যা দেশনেত্রী ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অবিরাম উন্নয়নের দিকে দেশকে নিয়ে চলেছেন। উন্নয়ন যেখানে সেখানেই তিনি আছেন। সারাদিন অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে তিনি কাজ করে দেশকে উন্নয়নের মডেলের দিকে নিয়ে চলেছেন। আমরা তার দীর্ঘায়ু ও সুস্থ জীবন কামনা করছি।
মো. মারুফুজ্জামান
বাসাবো, ঢাকা
প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) শর্ত সাপেক্ষে ফরিদপুরকে সিটি করপোরেশন হিসেবে অনুমোদনের খবরে আনন্দ উল্লাস করেছে সেখানকার স্থানীয় জনগণ। সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে ফরিদপুর হবে ১৩তম সিটি করপোরেশন। আমরা মনে করি, বিষয়টি অত্যন্ত ইতিবাচক উদ্যোগ। তবে সব কিছু যেন অসহনীয় হয়ে না উঠে এই বিষয়টির প্রতি দৃষ্টি রাখতে হবে।
করিম
রিসোর্স এন্ট্রিগ্রেশন সেন্টার (রিক), ধানমন্ডি, ঢাকা।
আরো একটি নতুন বিভাগ হতে যাচ্ছে। অবশ্যই বিষয়টি আনন্দের। সে জন্য সরকার প্রধানকে ধন্যবাদ জানাই। তবে পাশাপাশি বলতে চাই যে, বিভাগ উন্নয়নের পূর্বে যেখানকার সামগ্রিক বিষয়গুলোকে ভালোভাবে পর্যালোচনা করা দরকার।
মুন্সী মোহাম্মাদ ওয়াহীদউল্লাহ
স্টেডিয়াম সড়ক, সদর , ফেনী
