১০ দিন পর কবর থেকে মর্গে ইমনের লাশ

কুষ্টিয়ায় মানসিক চিকিৎসা সহায়তা ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে চিকিৎসা নিতে আসা কলেজছাত্র ইমন আলীকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার পর বিচার লাশ তুলে ময়না তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। শনিবার সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পুলিশ কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ধুবইল ইউনিয়নের গোবিন্দগুনিয়া কবরস্থান থেকে ইমনের লাশ কবর থেকে তুলে ময়না তদন্তে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

নিহত ইমন মিরপুর কাদেরপুর গ্রামের এজাজুল আজিম রিপনের ছেলে এবং রাজশাহী সিটি কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্র ছিল।

পুলিশ জানায়, গত ১৯ নভেম্বর কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলায় ‘সমর্পণ মাদকাসক্তি’ নামে ওই প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসা নিতে আসা কলেজছাত্র কামরুজ্জামান ইমনকে (২০) চিকিৎসার নামে পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। পরে মুমূর্ষু অবস্থায় মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে ময়না তদন্ত ছাড়াই পরিবারের লোকজন লাশ দাফন করে। ঘটনার পর ওই প্রতিষ্ঠানের সিসি টিভির ফুটেজে ইমনকে নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। এ নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়, নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। সিলগালা করা হয় ওই প্রতিষ্ঠানটি। 

এ ঘটনায় নিহতের চাচা স্বপন বাদি হয়ে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালকসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলায় অভিযুক্ত পরিচালক তারেক রহমান মতিন, মিন্টু বিশ্বাস ও হাবিবুর রহমান হাবিবকে আটক করেছে পুলিশ।

আরও পড়ুন: নড়াইলে বোমা তৈরির সরঞ্জামসহ জামায়াতের ৬ কর্মী গ্রেফতার

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিংকন বিশ্বাস ও মিরপুর থানা ওসি আবুল কালাম জানিয়েছেন, আদালতের নির্দেশে ইমনের লাশ কবর থেকে তুলে করে ময়না তদন্তের কুষ্টিয়া ২৫০ বেড জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পরবর্তী রিপোর্ট পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ইত্তেফাক/এসি