শিরোইল পুলিশ ফাঁড়ির ১৮ সদস্য কোয়ারেন্টিনে

করোনায় আক্রান্ত মৃত পুলিশ সদস্যের সংস্পর্শে আসায় রাজশাহী মেট্টোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) শিরোইল পুলিশ ফাঁড়ির ১৮ সদস্যকে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। 

এ ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে আরএমপির বোয়ালিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিবারণ চন্দ্র বর্মন বলেন, শিরোইল পুলিশ ফাঁড়ি ডিউটি বিরতিতে থাকবে। নওগাঁর যে পুলিশ সদস্য মারা গেছেন তার ভগ্নিপতি পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) সেখানে কর্মরত ছিলেন। অনেকেই তার সংস্পর্শে এসেছেন। তাই শিরোইল পুলিশ ফাঁড়ির ১৮ জন সদস্যকে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে পর্যায়ক্রমে সবারই নমুনা পরীক্ষা করা হবে।

আরও পড়ুনঃ বাড়ছে না সাধারণ ছুটি, স্বাস্থ্যবিধি মেনে ৩১ মে থেকে অফিস

এদিকে, আরএমপির মুখপাত্র অতিরিক্ত উপ-কমিশনার গোলাম রুহুল কুদ্দুস বলেন, কয়েকদিন আগে রাজশাহীর খ্রিস্ট্রিয়ান মিশন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন করোনা আক্রান্ত নওগাঁর এসআই মোশাররফ হোসেন মারা যান। এ সময় তার সংস্পর্শে আসেন ওই পুলিশ সদস্যের ভগ্নিপতি শিরোইল ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মিজানুর রহমান। তিনি ফাঁড়িতে দায়িত্ব পালনের সময় তার সংস্পর্শে আসেন আরও ১৭ পুলিশ সদস্য। করোনা ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কায় ওই ফাঁড়ির ইনচার্জসহ ১৮ পুলিশ সদস্যকে কোয়ারেন্টিনে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আরএমপির কমিশনার মো: হুমায়ুন কবির। গত মঙ্গলবার (২৬ মে) এসআই মিজানের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সবার নমুনা সংগ্রহের পর পরীক্ষা করা হবে। আর এখানকার পুলিশ সদস্যরা কোয়ারেন্টিনে থাকলেও বোয়ালিয়া থানা ও আশপাশের ফাঁড়ির পুলিশ সদস্যরা আপাতত শিরোইল ফাঁড়ি এলাকার আইনশৃংখলা রক্ষায় কাজ করবেন বলেও জানান আরএমপির মুখপাত্র।

এর আগে রাজশাহীতে করোনায় মৃত্যু হয় পুলিশের এক উপ-পরিদর্শকের (এসআই)। তার নাম মোশাররফ হোসেন। ৫৭ বছর বয়সী এই পুলিশ কর্মকর্তা গত শুক্রবার (২২ মে) রাত ১১টায় রাজশাহীর খ্রিস্ট্রিয়ান মিশন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।  এরপর ২৪ মে শিরোইল পুলিশ ফাঁড়ি সদস্যদের কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়। 


ইত্তেফাক/ এমএএম