বলেশ্বর নদের দুই তীরে আম্ফানে ক্ষতিগ্রস্থ বাঁধ পরিদর্শনে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

বঙ্গোপসাগর উপকূলীয় মঠবাড়িয়া ও শরণখোলা এলাকায় ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের প্রভাবে জলোচ্ছ্বাসে ক্ষতিগ্রস্ত বলেশ্বর নদের দুই তীরে ভাঙ্গন কবলিত বেড়িবাঁধ এলাকা পরিদর্শন করেছেন পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক এমপি । 

বুধবার (২৭ মে) বিকালে পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার বড়মাছুয়া লঞ্চঘাট এলাকা থেকে ভোলমারা, খেজুরবাড়িয়া এলাকায় ধ্বসে যাওয়া বাঁধ সরেজমিনে তিনি পরিদর্শন করেন।

এসময় ভাঙ্গন কবলিত এলাকার জেলে পল্লীর বাসিন্দাদের সাথে কথা বলার সময় বড় মাছুয়া মোহনা থেকে দেড় কিলোমিটার এ বিপর্যস্ত বাঁধ উঁচু করে নির্মাণসহ বাঁধ পুনর্বাসন কাজে প্রাথমিকভাবে পাঁচ কোটি টাকার বরাদ্দের ঘোষণা দেওয়া হয়। 

এরপর রাতে প্রতিমন্ত্রী বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার সাউদখালী ইউনিয়ন স্পিডবোট যোগে পরিদর্শন করেন। এ পরিদর্শনকালে তাফালবাড়ী, গাবতলা, বগী প্রভৃতি নদীভাঙ্গন কবলিত এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ সরেজমিনে প্রত্যক্ষ করেন। 

আরো পড়ুন: নাসিরনগরে পানিতে ডুবে এক শিশুর মৃত্যু 

এ সময় প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, ‘শরণখোলা এলাকায় সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে রিং বাঁধ তৈরি হবে। পূর্ণাঙ্গ বাঁধ তৈরি করতে জমি অধিগ্রহণের প্রয়োজনীয়তা থাকায় এ নির্মাণ কাজ সময় সাপেক্ষ। ইতিমধ্যে পরিকল্পনা কমিশনে এ উদ্দেশ্যে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। একনেকে এই প্রস্তাব অনুমোদন সাপেক্ষে শিগগিরই এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হবে।     

পরিদর্শনকালে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের  অতিরিক্ত সচিব মাহ্মুদুল ইসলাম, পানি উন্নয়ন বোর্ডের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. হাবিবুর রহমান, মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব নুর আলম, পিরোজপুর জেলা প্রশাসক আবু আলী মো. সাজ্জাদ হোসেন, পুলিশ সুপার হায়াতুল ইসলাম খাঁন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিভাগীয় প্রধান প্রকৌশলী মো. হারুন অর রশীদ, তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. শফী উদ্দিন, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. শাহআলম বালী, উপজেলা চেয়ারম্যান রিয়াজ উদ্দিন আহম্মেদ, মঠবাড়িয়া পৌর মেয়র রফি আহম্মেদ ফেরদৌস, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উর্মি ভৌমিক, সহকারী কমিশনার (ভূমি) রিপন বিশ্বাস প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

রাতে শরণখোলা উপজেলার নদীভাঙ্গন কবলিত বাগেরহাট জেলার মোড়েলগঞ্জ ও শরণখোলার বগী এলাকা পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রীর সাথে অন্যান্যের মধ্যে আরো ছিলেন স্থানীয় এমপি আমিনুল ইসলাম মিলন, বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মামুনুর রশীদ, শরণখোলার ইউএনও সরদার মোস্তফা শাহীন প্রমুখ। 

ইত্তেফাক/এএএম