কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে করোনা আক্রান্ত ইউপি চেয়ারম্যানের সংস্পর্শে এসে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাসহ নয়জন কোয়ারেন্টাইনে আছেন। তাদেরও নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। করোনা আক্রান্ত দুটি বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে।
জানা যায়, ২২ মে শুক্রবার উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ওই ইউপি চেয়ারম্যানসহ ১৪ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। ২৭ মে বুধবার উপজেলার সরসপুর ইউপি চেয়ারম্যান ও তার পার্শ্ববর্তী লক্ষণপুর ইউনিয়নের মাঝিয়াপাড়া গ্রামের ৩৯ বছর বয়সী এক সহযোগীসহ তাদের করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসে।
নমুনা সংগ্রহ কালে সার্বক্ষণিক ওই চেয়ারম্যান সাথে থাকায় স্বাস্থ্যঝুঁকি বিবেচনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোহেল রানা, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নিসর্গ মেরাজ চৌধুরী সহ প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের করোনা র্যাপিড রেসপন্স টিমের নয়জনকে বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইনে যেতে হয়েছে।
স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ও কুমিল্লা জেলা করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধ সমন্বয়ক ডা. নিসর্গ মেরাজ চৌধুরী বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেন। কোয়ারেন্টাইনে থাকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সোহেল রানা ইত্তেফাককে জানান, সরসপুর ও লক্ষণপুর ইউপির ওই দুটি বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে।
ইত্তেফাক/এসআই