ঈদের ছুটি শেষে মাদারীপুরের কাঁঠালবাড়ী ফেরিঘাটে আবারো ঢাকামুখী যাত্রী ও যানবাহনের চাপ প্রচুর পরিমাণে বেড়েছে। লোক সমাগম সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) ভোরের আলো ফুটতে না ফুটতে ফেরিঘাটে রাজধানীমুখী যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বাড়ছেই।
যাত্রীর চাপে ফেরিগুলোতে যানবাহন পারাপার করতে হিমশিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। ফেরিতে গাদাগাদি করে যাত্রী পার হচ্ছে। শারীরিক দূরত্ব মানার কোন বালাই নেই। নেই সুরক্ষা সরঞ্জাম। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ প্রশাসনের কঠোর তৎপরতা রয়েছে। যাত্রীদের পাশাপাশি যানবাহন পারাপারে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে পুলিশ প্রশাসন ও ঘাট কর্তৃপক্ষ। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে মাইক্রোবাস, মোটরসাইকেল, ইজিবাইক বিভিন্ন যানবাহনে ৫ গুণ বাড়তি ভাড়া দিয়ে বরিশাল, খুলনা, পটুয়াখালীসহ বিভিন্ন জেলা থেকে কাঁঠালবাড়ী ঘাটে পৌঁছাতে হচ্ছে। এদিকে অনেকে পণ্যবাহী পরিবহনে চড়েও গন্তব্যে যাচ্ছে।
আরো পড়ুন: করোনা: ভারতে ২৪ ঘণ্টায় নতুন আক্রান্ত ৬,৫৬৬, মৃত্যু ১৯৪
কাঠালবাড়ী ফেরিঘাটের বিআইডব্লিউটিসির সহকারী ম্যানেজার ভজন কুমার সাহা বলেন, ‘ভোরের আলো ফুটতে না ফুটতে কাঁঠালবাড়ী ফেরিঘাটে রাজধানীমুখী যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বেড়েই চলছে। ৮টি ফেরি সচল রয়েছে। ফেরিগুলোতে জরুরি অ্যাম্বুলেন্স, ব্যক্তিগত গাড়ি, কাঁচামাল ও পণ্যবাহী ট্রাকের পাশাপাশি যাত্রীও পারাপার করা হচ্ছে। লঞ্চ ও স্পীডবোট বন্ধ থাকার কারণে যানবাহনের চেয়ে যাত্রীর চাপ বেশি হওয়ার কারণে শারীরিক দূরত তেমন একটা মানছেন না যাত্রীরা।
ইত্তেফাক/এএএম